সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চুলের যত্নে পেঁয়াজের ব্যবহার

চুলের যত্নে পেঁয়াজের ব্যবহার

চুল প্রোটিন দিয়ে তৈরি, যা কেরাটিন থেকে শক্তি পায়। সালফারের অভাবে চুল পড়া বেড়ে যায়। পেঁয়াজের রসে আছে প্রচুর পরিমণে সালফার। এটি মাথার ত্বকের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে থাকে। এমনকি সালফার আপানার ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এতে অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান আছে যা মাথার তালুকে বিভিন্ন রোগ জীবাণু হতে রক্ষা করে। পেঁয়াজের রস ব্যবহারে এটি মাথার তালুর বিভিন্ন সমস্যা যেমন ফাঙ্গাস, খুশকি, ইনফেকশন থেকে মাথার তালুকে রক্ষা করে থাকে।আর তাই চুলের যত্নে আদিকাল থেকে পেঁয়াজের রস ব্যবহার হয়ে আসছে। নতুন চুল গজানো থেকে শুরু করে চুল পড়া রোধ করতে ব্যবহৃত হয় এই পেঁয়াজের রস। এটি সব ধরণের চুলের অধিকারীরাই ব্যবহার করতে পারেন। অনেকেই পেঁয়াজের রসের সঠিক ব্যবহার জানেন না। পেঁয়াজের রসের কার্যকরী কিছু ব্যবহার নিয়ে আজকের এই ফিচার।

চিত্রঃ চুলের যত্নে পেঁয়াজের ব্যবহার
চিত্রঃ চুলের যত্নে পেঁয়াজের ব্যবহার

  • পেঁয়াজের রস

২টি পেঁয়াজ কুচি করে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে রস বের করে নিন। পেঁয়াজের রসটি চুলে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এটি চুলে ৩০-৪৫ মিনিটে রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে ২ বার এটি ব্যবহার করুন। দুয়েক মাসের মধ্যে আপনি পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

  • পেঁয়াজের রস এবং তেল

তিন টেবিলচামচ পেঁয়াজের রসের সাথে এক টেবিল চামচ নারকেলের তেল এবং এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। সপ্তাহে তিনবার এটি আপানার চুলে ব্যবহার করুন। আপনি যদি শুষ্ক মাথার ত্বকের অধিকারী হয়ে থাকেন তবে এটি খুব ভাল ফল দিবে।

  • মধু পেঁয়াজের রস

এটি আপনি খেতেও পারেন আবার চুলেও ব্যবহার করতে পারেন। সিকি কাপ পেঁয়াজের রসের সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন এটি পান করুন। এটি আপনার হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে। এটি আপনি চুলে ও লাগাতে পারেন। ১০ মিনিট ম্যাসাজ করে শ্যম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।