সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চুল পড়া রোধে নিজেই তৈরি করুন আয়ুর্বেদিক তেল

 চুল পড়া রোধে নিজেই তৈরি করুন আয়ুর্বেদিক তেল

তেল চুলের পুষ্টি যুগিয়ে চুলকে করে তোলো নরম, কোমল, সিল্কি। সাধারণত বাজারের নারকেল তেল বা বাদাম তেলকে আরো বেশি পুষ্টিকর করে তোলা সম্ভব কিছু ঘরোয়া উপাদানের মাধ্যমে। এই আয়ুবের্দিক তেল চুল পড়া রোধ করবে। শুধু তাই নয় চুলের আগা ফাটা, রুক্ষভাব দূর করে চুলকে করে তোলে স্বাস্থ্যজ্বল ঝলমলে। প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হওয়ায় এই তেলের কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। তাই যেকোনো চুলের অধিকারীরা নিশ্চিন্তে এই তেল ব্যবহার করতে পারেন।
চিত্রঃ চুলের যত্নে জবা ,আমলকি, লেবুর আয়ুর্বেদিক তেল
    চুলের যত্নে জবা ,আমলকি, লেবুর আয়ুর্বেদিক তেল

  • জবা ফুলের তেল

উপকরণঃ
           ১০০ মিলি লিটার নারকেল তেল অথবা অলিভ অয়েল
           পাতা সহ ৫টি জবা ফুল
           ১ চা চামচ মেথি গুঁড়ো
প্রথমে জবাফুল ধুয়ে পাতাসহ কুঁচি করে নিল। নারকেল বা অলিভ অয়েলের সাথে জবাফুল কুঁচি , মেথি গুঁড়ো দিয়ে জ্বাল দিন। ফুল ভাজা হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেকে তেল কনটেইনারে রাখুন। চুলে ব্যবহারের আগে কিছুটা গরম করে নিন। জবা ফুল এবং পাতা চুল পড়া রোধ করে চুলের গোড়া মজবুত করে। মেথি খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।

  • আমলকির তেল

উপকরণঃ 
          ১০০ গ্রাম আমলকি
          ২৫০ গ্রাম বিশুদ্ধ নারকেল তেল
আমলকি বেঁটে বা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ছাঁকনিতে ছেকে রস বের করেন নিন।একটি পাত্রে আমলকির রস এবং নারকেল তেল মিশিয়ে পাত্রটি চুলায় ফুটতে দিন। ফুটে বাদামি রঙ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হয়ে এলে কোন বোতল বা কাচের পাত্রে সংরক্ষণ করুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

  • লেবুর তেল

উপকরণঃ 
            লেবু ১টি
            ৩ চামচ নারকেল তেল
            ১ চামচঅলিভ অয়েল
তেলের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে গরম করে নিন। এই তেলটি মাথার তালুতে ম্যাসাজ করে লাগান। ৪০-৫০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। খুশকি দূর করতে এই তেলটি বেশ কার্যকর। সপ্তাহে দুইদিন এই তেল ব্যবহার করুন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।