সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হাত, পা, গলা ও ঘাড় উজ্জ্বল করার কিছু টিপস

হাত, পা, গলা ও ঘাড় উজ্জ্বল করার কিছু টিপসঃ  

সময় সল্পতার বা অলসতার দরুন আমরা মুখের ত্বকের প্রতি নজর দিলেও শরীরের বাকি অংশ বলতে গেলে অবহেলাতেই থেকে যায়। হাত, পা, গলা জামার বাইরে থাকে, তাই রোদে পুড়ে কালো দেখায়। যত্ন নেয়ার অভাবে অনেক সময় মুখের থেকেও বেশি কালো লাগে, যেটা অনেক সময় নিজের কাছেই বিরক্তি বা  লজ্জার কারণ  মনে হয়। তাই প্রতিদিন না হলেও সপ্তাহে একদিন সময় করে এগুলোর যত্ন নেয়া দরকার। আসুন জেনে নেই কিভাবে হাত, পা ও গলার রোদে পোড়া দাগ উজ্জ্বল করার কিছু টিপস:

হাত এবং পাঃ

১. প্রতিদিন বাইরে থেকে এসেই মুখের সাথে সাথে হাত, পা ও ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
২. শুষ্কতার জন্য হাত, পা কালো দেখায়। তাই যাদের স্কিন শুষ্ক তারা গরম হোক আর শীত হোক ১২ মাস হাতে পায়ে ভেসলিন বা গ্লিসারিন লাগাবেন। কিছুদিন পর লক্ষ করবেন হাত, পা অনেক কোমল, আগের থেকে অল্প হলেও কালচে ভাবটা কমেছে।
৩. গোসলের সময়  হাত, পা ও ঘাড়ে টক দই লাগাবেন। এতে করে রোদের পোড়া দাগ কমে যাবে।
৪. ভিটামিন ই লিকুইড ১ চামচ, ২ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ গ্লিসারিন, ৪ চামচ কাঁচা দুধ দিয়ে হাত, পা ম্যাসাজ করবেন গোসল করার আগে। হাত, পা উজ্জ্বল হবে।
৫. প্রতিদিন গোসল করার সময় হাত, পা  স্ক্রাব করবেন। গোসলের পর গ্লিসারিন,লোশন অথবা ভেসলিন লাগাবেন।
৬. শশার রস, গোলাপজল, গ্লিসারিন মিশিয়ে হাতে পায়ে মাখবেন। হাত পায়ের কালচে দাগ কমবে।
৭. লেবুর রস  ১ চামচ, অলিভ অয়েল ১ চামচ, এলভেরা জেল ১ চামচ মিশিয়ে হাত পায়ে দিবেন। হাত, পা ফর্সা হবে।
৮. বাইরে না গেলে  গোসলের পর সরিষার তেল হাত, পায়ে মাখবেন। উপকৃত হবেন।
৯. লবণ এবং মধু দিয়ে হাত, পা প্রতিদিন ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে করে হাত পায়ের ত্বক কোমল হবে।
১০. সপ্তাহে ২ বার না পারলেও কমপক্ষে একবার পেডিকিউর, মেনিকিউর করা উচিত। ঘরে বসে অল্প সময়েই প্রাকৃতিক উপায়ে পেডিকিউর, মেনিকিউর করতে পারবেন। কুসুম গরম পানিতে লেবু, লবণ (পারলে সি স্লট), mild শ্যাম্পু মিশিয়ে ১৫ মিনিট হাত, পা ভিজিয়ে রেখে পেডিকিউর, মেনিকিউর সেট দিয়ে হাত ও পায়ের ময়লা পরিষ্কার করে, মধু এবং চিনি দিয়ে হাত, পা স্ক্রাব করে, কোন একটি ম্যাসাজ ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ করে যে কোন একটি প্যাক লাগিয়ে ফেলুন, হয়ে গেলো পেডিকিউর, মেনিকিউর।
মনে রাখবেন হাত পা পরিষ্কার না থাকলে, মুখের ত্বক যতই সুন্দর থাকুক, আপনি কিন্তু ভেতর থেকে ততটা কনফিডেন্ট থাকবেন না।
চিত্রঃ উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় চেহারা
চিত্রঃ উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় চেহারা

ঘাড়ঃ

ঘামে ময়লা জমে বা রোদে পুড়ে ঘাড় কালো হয়ে যায়।অনেক সময় গলায় গহনার কারনেও কালো দাগ পরে যায়,তাই ঘাড়ের প্রতি ও যত্নশীল হওয়া উচিত। ঘাড়ের যত্নে করনীয়:
১. গোসলের আগে প্রতিদিন ঘাড়ে লেবু ঘষুন ,লেবু প্রাকৃতিক ব্লিচিং হওয়ায় সহজেই দাগ দূর হবে।
২. আলু থেতলে রস ঘাড়ে ঘষুন উপকার পাবেন।
৩.যাদের ঘাড় বেশি কালো তারা ১ চামচ উপটান, ৩ চামচ কাঁচা দুধ, আধা চামচ হলুদ বাটা দিয়ে প্যাক বানিয়ে ঘাড়ে লাগান। এতে করে ঘাড়ের কালচে ভাব দূর হবে।
৪. চন্দন গুড়া আর গোলাপজল দিয়ে প্যাক বানিয়ে ঘাড়ে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন।
৫. ভিটামিন সি ক্যাপসুল, চন্দন গুঁড়ো মিশিয়ে ঘাড়ে লাগান ২০ মিনিটের জন্য। পরে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে। 

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...