সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হজমের জন্য অল্প সময়ে বাড়িতেই তৈরি করুন বিয়ে বাড়ির বোরহানি

হজমের জন্য অল্প সময়ে বাড়িতেই তৈরি করুন বিয়ে বাড়ির স্বাদের বোরহানি

সাধারনত ভারী খাবারের পরেই হজমের জন্য বোরহানি পান করা হয়। অতিরিক্ত তেলযুক্ত মসলাদার খাবার খেয়ে জিহ্বার আড়ষ্টতা দূরীকরণে তা খুবই কার্যকর। শুধু তাই নয়, বোরহানির প্রধান উপকরণ টক দইয়ে আছে আমিষ, ভিটামিন, মিনারেল ইত্যাদি। টক দইয়ে থাকে অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া যা আমাদের সঠিক হজমে সাহায্য করে। এতে দুধের চেয়েও বেশী ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম ও পটাশ পাওয়া যায়। যা দেহের সুস্থতার জন্য খুবই উপকারী।

বিয়ে বাড়ি বা হোটেলে খাবার খাওয়ার পরেই আসে মাজাদার এক গ্লাস বোরহানি। আর পরিবারের ছোট থেকে বড় সবারই পছন্দের তালিকায় থাকে বোরহানি। যদিও আজকাল বাজারেই কিনতে পাওয়া যায়। অনেকেই মনে করেন বোরহানি বানানো হয়তো কোনো কঠিন কাজ। কিন্তু বোরহানি বানানো অত্যন্ত সহজ। চাইলে এবারের ঈদে আপনিও বাড়িতেই তৈরি করতে পারেন বোরহানি। তাই চলুল জেনে নেয়া যাক কিভাবে ঘরেই তৈরি করা যায় বিয়ে বাড়ির স্বাদের মজাদার বোরহানি।
চিত্রঃবোরহানি রেসিপি। ছবিঃ সংগৃহীত
বোরহানি রেসিপি। ছবিঃ সংগৃহীত

বোরহানি তৈরির জন্য যা যা লাগবেঃ
১. টক দই ১ কেজি
২. পুদিনা পাতা বাটা ১ টেবিল চামচ
৩. ধনিয়া পাতা বাটা ১ টেবিল চামচ
৪. কাঁচা মরিচ বাটা ১ টেবিল চামচ
৫. সাদা সরিষা বাটা ১ চা চামচ
৬. ভাজা জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ
৭. সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ
৮. বিট লবণ ১ চা চামচ
৯. লবণ ১ চা চামচ
১০. চিনি টক মিষ্টি ঝালের উপর নির্ভর করে
১১. ঠান্ডা পানি/বরফ কুচি ১ কাপ।

প্রস্তুত প্রণালীঃ
১. প্রথমে টক দই ভালভাবে ফাটিয়ে পাতলা কাপড় দিয়ে ছেকে পানি ঝরিয়ে নিন।
২. ধনে পাতা, পুদিনা পাতা ডাটাসহ এবং কাঁচা মরিচ, সরিষাও মিহি করে বেটে নিতে নিন।
৩. সরিষা বাটা, কাঁচা মরিচ বাটা, ধনে পাতা বাটা, পুদিনা পাতা বাটার সাথে একটু পানি মিশিয়ে পাতলা কাপড়ে ছেকে নিয়ে দইয়ের সাথে মিশিয়ে নিন।
৪. জিরা গুড়া, বিট লবণ, সাদা গোল মরিচ গুড়া, লবন, ঠান্ডা পানি ও চিনি মিশিয়ে দইয়ের সাথে ভালোমতো মিশ্রণের জন্য ফেটতে হবে।
৫. মিশ্রণটি বেশি ঘন হলে প্রয়োজন মতো পানি, চিনি ও লবণ মিশিয়ে নিন। ঝাল ও লবনের স্বাদ নিজের রুচিমতো বাড়িয়ে কমিয়ে নিতে পারেন। এবার ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে অথবা বরফ কুঁচি মিশিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার বোরহানি।
ব্যস বাড়িতেই তৈরি হয়ে গেল বিয়ে বাড়ির স্বাদের মজাদার বোরহানি। 

** অনেকেই বোরহানি একটু ঘন, ক্রিমি করার জন্য ক্রিম দই বা মিষ্টি দই ব্যবহার করে থাকেন। আপনি ও চাইলে এর মদ্ধে ১০০ গ্রাম মিষ্টি দই দিতে পারেন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।