সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চুলের সমস্যা সমাধানে জবা ফুল কেন ব্যবহার করবেন?

চুলের সমস্যা সমাধানে জবা ফুল কেন ব্যবহার করবেন?

আমাদের দেশে গোলাপি, সাদা, লাল, হলুদ ইত্যাদি নানা বর্ণের জবা ফুল পাওয়া যায়। এর তেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, এ এবং আলফা-হাইড্রোক্সিল অ্যাসিড থাকে।  এটি স্বাস্থ্যের জন্য যেমন উপকারি, তেমনি ত্বক ও চুলের জন্যও বেশ কার্যকরী। জেনে নিন চুলের সৌন্দর্যে জবা ফুলের নানা উপকারিতার কথাঃ
চিত্রঃচুলের সমস্যা সমাধানে জবা ফুলের ব্যবহার
চুলের সমস্যা সমাধানে জবা ফুলের ব্যবহার

চুলের গোড়া মজবুত করেঃ

জবা ফুলের ব্যবহার চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। অলিভ অয়েলের সঙ্গে জবা ফুলের তেল মিশিয়ে প্রতিদিন চুলে লাগান। দেখবেন অল্প দিনেই আপনার চুলের গোড়া শক্ত ও চুল পড়া বন্ধ হবে। 

খুশকি সমস্যা রোধ করেঃ

খুশকি কমাতে জবা ফুল দারুণ কার্যকরী। প্রথমে অল্প পরিমাণ মেথি পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর এর সঙ্গে পরিমাণমতো অলিভ অয়েল এবং জবা ফুলের তেল মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণটি ভালো করে মাথায় লাগান। এ ঘরোয়া তেল প্রতিদিন ব্যবহারে দেখবেন খুশকির সমস্যা দূর হয়ে গেছে।

ঘন চুল পেতেঃ

জবা ফুলের তেলের সঙ্গে অল্প পরিমাণ কারি পাতার পাউডার মেশাতে হবে। মিশ্রণটি ভালো করে গরম করতে হবে। এরপর চুলের গোড়ায় ম্যাসেজ করে লাগিয়ে আধঘণ্টা রেখে ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে। নিয়মিত ব্যবহারে চুল হয়ে উঠবে আরো ঘন ও উজ্জ্বল।

স্কাল্পের চুলকানি কমায়ঃ

জবা ফুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি । যা স্কাল্পের চুলকানি রোধে সাহায্য করে। এছাড়া স্কাল্পের যেকোনো সমস্যা রোধে জবা ফুলের বিকল্প নেই। পাতাসহ কয়েকটি জবা ফুল পেস্ট করে চুলের গোড়ায় লাগাতে হবে। এর ফলে দেখবেন স্কাল্পের চুলকানি কমে গেছে।

অকালে চুল পাকা রোধ করেঃ

বর্তমানে ধূলি দূষণের কারণে অনেকের চুলই অসময়ে পেকে যায়। এ সমস্যা সমাধানে জবা ফুল বেশ কার্যকরী। কয়েকটি জবা ফুল পেস্ট করে এরসাথে এক কাপ দই একসঙ্গে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে  কিছু সময় রেখে পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। নিয়মিত এ ট্রিটমেন্টে অকালে চুল পাকা রোধ হবে।

চুলের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ঃ

জবা ফুলের তেলের সঙ্গে অল্প পরিমাণ আমলিকের রস ও লেবুর রস মিশিয়ে স্কাল্পে লাগান। আধঘণ্টা রেখে চুলটা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। এটি চুল আর্দ্র রাখতে ও আরো উজ্জ্বল করতে সাহায্য করবে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।