সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হেয়ার স্পা কি এবং কেন করবেন?

হেয়ার স্পা কি এবং কেন করবেন?

বর্তমানে চুলকে সুন্দর, ঝলমলে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখা সত্যিই কঠিন। এর প্রধান কারণ নাগরিক দূষণ আর সময়ের অভাব। ব্যস্ত জীবনে অনেকেরই সময় হয়ে উঠে না পার্লারে গিয়ে নিজের একটু যত্ন নিতে। বিশেষ করে যারা কর্মজীবী মহিলা তাদের জন্য সময় বের করা আসলেই বেশ কঠিন কাজ। আর একারণেই অযত্নের কারণে ত্বক ও চুল খুবই ড্যামেজ হয়ে যায়। শত ব্যস্ততার মাঝে ও  চুলকে স্বাভাবিক, স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও সুন্দর করতে হেয়ার স্পা এখন বেশ জনপ্রিয়। মলিন হয়ে যাওয়া চুল ঠিক করতে হেয়ার স্পার জুড়ি নেই। চুল যদি অপুষ্ট হয়, শুষ্ক ও ভঙ্গুর হয়ে ওঠে এবং আগা ফেটে যায় তাহলে এ রকম ক্ষতিগ্রস্ত চুলকে ঠিক করতে হেয়ার স্পা করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিউটি এক্সপার্টরা।
চিত্রঃচুলের এক্সট্রা যত্নে করুন হেয়ার স্পা। ছবিঃসংগৃহীত
চুলের এক্সট্রা যত্নে করুন হেয়ার স্পা। ছবিঃসংগৃহীত

হেয়ার স্পাঃ

যারা সৌন্দর্য চর্চায় একটু সচেতন তারা স্পা-এর সঙ্গে পরিচিত। সৌন্দর্য চর্চার অন্যতম অংশ চুল। আর এ চুলকে সুস্থ ও সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করে হেয়ার স্পা।
হেয়ার স্পা হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায় যার মাধ্যমে চুল হয়ে উঠবে আরও বেশি চকচকে, ঝলমলে, সফট, সিল্কি ও আকর্ষণীয়। আসলে এটা এক ধরনের হেয়ার ট্রিটমেন্ট যা আপনার চুলের স্বাস্থ্য রাখবে অটুট। চুলকে করবে মসৃণ এবং সুন্দর।

হেয়ার স্পা কেন করবেনঃ

ঘরের বাইরে বের হলে চুল পড়ছে বায়ু দূষণের কবলে, ধুলোবালি এসব চুলকে করে তোলে রুক্ষ। আর সূর্যের তাপে বের হলে রোদও চুলের ক্ষতি করে। পরিবেশের এ বিরূপ প্রভাবই আমাদের চুলকে করে তোলে প্রাণহীন, নিস্তেজ, রুক্ষ।

এছাড়াও মাথায় খুশকির কারণে, চুলের আগা ফেটে গেলে, চুলে ঘনঘন কালার করা হলে চুল তার স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য হারিয়ে ফেলে। তখন কোনও হেয়ারকাটই মানাবে না। বরঞ্চ চুল নিয়ে পড়তে হবে অস্বস্তিতে। ঠিক এ সময়ই আপনার প্রয়োজন হেয়ার স্পার। যা আপনার চুলের প্রাণ ফিরিয়ে আনবে।

হেয়ার স্পা'র উপকারীতাঃ

  • হেয়ার স্পা ট্রিটমন্ট চুলের গোড়া মজবুত করে এবং মাথার ত্বককে উর্বর করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে৷
  • মাথার ত্বক তৈলাক্ত রাখতে সাহয্য করে৷ তাতে খুসকি হওয়ার সম্ভাবনা কমে৷
  • মস্তিষ্কে সেল মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে এবং রক্ত চলাচল ঠিক রাখে৷
  • ক্ষতিগ্রস্ত চুলকে সাড়িয়ে তোলে৷
  • স্পা এক ধরণের  হেয়ার থেরাপি৷ এই পদ্ধতি প্রয়োজনীয় তেল ও আর্দ্রতার পরিমাণ ঠিক রেখ চুলকে গোড়া থেকে মসৃণ ও উজ্জ্বল করে তোলে৷

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।