সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রুই মাছের মালাই কোপ্তা রেসিপি

রুই মাছের মালাই কোপ্তা রেসিপি

আমরা মাছে ভাতে বাঙ্গালী। মাছ আমদের প্রধান খাবার। প্রতিদিনের খাবারে মাংস হোক বা না হোক মাছ আমদের চাই চাই। এটি আমিষ জাতীয় খাবার যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। শিশুরা মাছ খেতে পছন্দ করে না তাই তাদের জন্য যদি  মাছ দিয়ে একটি ভিন্নধর্মী খাবার তৈরি করা যায় তাহলে তারা খেতে আগ্রহী হবে। তাই শিশুদের কথা চিন্তা করে আজ রইল রুই মাছের মালাই কোপ্তা।
চিত্রঃরুই মাছে মালাই কোপ্তা
রুই মাছে মালাই কোপ্তা

উপকরন-১ঃ

১. রুই মাছের কিমা ২ কাপ,

২. পেয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ,

৩.কাচামরিচ কুচি ২ টেবিল চামচ,

৪.ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ ,

৫.জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ্‌

৬.লবন পরমান মত

গ্রেভির জন্য উপকরন-২ঃ

১. পেয়াজ কুচি ১ কাপ,

২. আদা বাটা ১/২ চা চামচ ,

৩. রসুন বাটা ১/২ চা চামচ,

৪. মরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ ,

৫. হলুদ গুঁড়া ১/২ চা চামচ,

৬. টমেটো পিউরি ১/২ কাপ ,

৭. টমেটো সস ১/২ কাপ,

৮. জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ ,

৯. লবন পরিমান মত

১০. নারিকেলের দুধ ১ কাপ

প্রস্তুত প্রনালিঃ 
প্রথমে উপকরন-১ এর সব  একত্রে মেখে কোপ্তার আকারে করে নিয়ে ডুবো তেলে লাল করে ভেজে তুলুন। ওই তেলে উপকরন-২ এর পেয়াজকুচি লাল করে ভেজে নিয়ে এতে আদা বাটা ,রসুন বাটা দিয়ে একটু ভেজে হলুদ ও মরিচ গুঁড়া দিন। এরপর টমেটো পিউরি দিয়ে নেড়ে একটু কষান। এবার টমেটো সস, জিরা গুঁড়া ও লবন দিয়ে কিছুক্ষন কষাতে হবে। এরপর কোপ্তাগুলো ও নারকেলের দুধ দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন ৫ মিনিটের জন্য। এবার ঢাকনা খুলে কাচামরিচ ফালি ও ধনে পাতা কুচি দিয়ে আরো ১ মিনিটের মত রাখতে হবে। তেল উপরে উঠে এলে নামিয়ে সার্ভিং ডিশে ঢেলে নিন ।
পরিবেশন করুন মজাদার রুই মাছের মালাই কোপ্তা।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে। 

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...