সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কিভাবে রান্না করবেন কলিজা ভুনা?

কিভাবে রান্না করবেন কলিজা ভুনা?

কয়েক তো বেশ খাওয়া হলো কোরবানির মাংস। স্বাদের ভিন্নতার জন্য এবার যদি হয় অন্য কোন আইটেম মন্দ হয়না কিন্তু। তাই আজ আপনাদের জন্য রইল ভিন্ন একটি রেসিপি কলিজা ভুনা। মাংস ফ্রিজে সংরক্ষন করা গেলে ও কলিজা বেশিদিন ফ্রিজে রেখে দিলে এর স্বাদ এবং গুণগত মান দুটোই নষ্ট হয়ে যায়। তাই কলিজা বেশিদিন ফ্রিজে না রেখে দ্রুত রান্না করে ফেলুন।

কলিজা ভুনা! নাম শুনেই জিবে জল আসে। অনেকে বেশ পছন্দ করেন। হোটেলে সকালের নাস্তায় ঢাকার প্রায় সব হোটেলে এই কলিজা ভুনা পাওয়া যায়। হোটেলে যাদের সকালের নাস্তা খাবার অভ্যাস আছে তারা নিশ্চয় এই কলিজা ভুনা অনেকবার খেয়েছেন। এই ঈদে না আপনি ও বাসায় রান্না করে ফেলুন মজাদার কলিজা ভুনা। পরোটা, চালের রুটি, নান, পোলায়, গরম ভাত কিংবা মুড়ির সঙ্গে দারুন জমবে কলিজা ভুনা। রান্নায় ভিন্নতা আনতে এখানে সব মশলা/ভেজষ পাটা পুতায় বেটে ব্যবহার করা হয়েছে। চলুন জেনে নেইয়া যাক কলিজা ভুনা রেসিপিটি।

উপকরণঃ
১। কলিজা ১/২ কেজি
২। পেঁয়াজবাটা এক কাপ
৩। রসুনবাটা ২ টেবিল চামচ
৪। আদা বাটা ২ টেবিল চামচ
৫। ভাজা জিরা গুড়ো ১ চা চামচ
৬। ধনিয়াবাটা ১ চা চামচ
৭। গোল মরিচ গুড়া এক চিমটি
৮। কাঁচা মরিচ ৫টি ( ঝাল বুঝে পরিমান মত)
৯। লাল মরিচ এক চামচ (ঝাল বুঝে)
১০। হলুদ গুড়া ২ চা চামচ
১১। দারুচিনি ৩ টুকরা
১২। এলাচি ৪ টি
১৩। তেজপাতা ২ টি
১৪। তেল হাফ কাপ বা তার বেশী
১৫। গরম পানি পরিমানমতো
১৬। লবণ স্বাদ অনুযায়ী
১৭। টমেটো ও পিঁয়াজ কিউব করে কাটা (ইচ্ছা)
১৮। ধনিয়া পাতা
চিত্রঃকলিজা ভুনা রেসিপি
কলিজা ভুনা রেসিপি

প্রণালিঃ
১। প্রথমে  কলিজা সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে পছন্দ অনুযায়ী টুকরো করে নিন।
২। তারপর একটি বাটিতে কলিজার টুকরাগুলো নিয়ে এরমধ্যে তেল, টালা জিরার গুঁড়া, কেটে রাখা টমেটো, পেঁয়াজ কুঁচি বাদে বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।
৩। এবার একটি কড়াইতে তেল গরম করে পেয়াজ সোনালি করে ভেজে (বেরেস্তা) আলাদা করে তুলে রাখুন। ওই তেলেই  কাটা টমেটো দিয়ে সামান্য একটু ভেজে কলিজা দিয়ে নাড়তে থাকুন।
৪। কিছুক্ষন পরপর অল্প আঁচে নেড়ে কলিজা কষাতে থাকুন। যতক্ষণ না কলিজার পানি শুকিয়ে তেল ওপরে উঠে আসে ততক্ষণ নাড়তে থাকুন।
৫। ঝোল মাখা মাখা হয়ে আসলে জিরা গুড়ো, কাঁচা মরিচ দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করুন। কলিজার উপরে তেল ভেসে উঠলে ধনে পাতা কুঁচি ছিটিয়ে দিয়ে নামিয়ে নিন।
৬। পরিবেশন বাটিতে নিয়ে উপরে পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম টেস্টি কলিজা ভুনা।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।