সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ঈদ স্পেশালঃঅতিথি আপ্যায়নে ঘরেই তৈরি করুন গরুর কড়াই গোস্ত

ঈদ স্পেশালঃঅতিথি আপ্যায়নে ঘরেই তৈরি করুন গরুর কড়াই গোস্ত

গরুর কড়াই গোস্ত। ছবিঃ সংগৃহীত
গরুর কড়াই গোস্ত। ছবিঃ সংগৃহীত
ঈদের দিন সারাদিন খাটুনি শেষে আবার পরেরদিন মেহমান আপ্যায়নে শরীর যেন চলতেই চায় না। অল্প সময়ে মেহমানের জন্য কোরবানির মাংস দিয়ে সহজেই তৈরি করে ফেলতে পারেন কড়াই গোস্ত। নান রুটি, পরোটা, ভাত, পোলাউ কিংবা খিচুরি সব কিছুর সঙ্গেই এই খাবারটি খেতে ভালো লাগবে। আবার কাস্মেরী পোলাউয়ের সাথে তো কড়াই গোস্ত দারুণ জমে। তাই জেনে নিন রেসিপিটি।

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
১। গরুর মাংস ১ কেজি
২। পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
৩। রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
৪। মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ
৫। হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ
৬। ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ
৭। জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ
৮। আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
৯। টমেটো কিউব ১ কাপ
১০। দারচিনি ও এলাচ ৩/৪ টুকরো
১১। জয়ফল ও জয়ত্রী বাটা ১ চা চামচ
১২। টক দই ১ কাপ
১৩। কাঁচামরিচ ৫ টি
১৪। তেজপাতা ২ টি
১৫। গরম মসলার ভাজা গুড়া ১/২ চা চামচ
১৬। ধনেপাতা কুচি
১৭। তেল ১/২ কাপ
১৮। পানি পরিমানমতো
১৯। লবণ স্বাদমতো।

প্রস্তুত প্রণালিঃ
  • মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিয়ে একটি পাত্রে মাংস, টক দই, লবণ ও সব মসলা একসঙ্গে ভালো করে মেখে ৩০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন।
  • একটি হাঁড়িতে তেল গরম করে অর্ধেক পেঁয়াজ কুচি, দারচিনি, এলাচ, তেজপাতা হালকা বাদামী করে ভেজে মেরিনেট করা মাংস দিয়ে নেড়ে কষাতে হবে।
  • ৪ কাপ পরিমাণ পানি দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে। পানি শুকিয়ে মাংস সিদ্ধ হয়ে মাংসের ওপর তেল ভেসে উঠলে নামিয়ে রাখুন। 
  • অন্য একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি সোনালি করে ভাজুন। এরপরে কড়াইয়ে টমেটো স্লাইস দিয়ে ভাজতে থাকুন। টমেটো নরম হয়ে তেল ছেড়ে দেয়া পর্যন্ত ভাজতে হবে।
  • ওই কড়াইয়ে কষিয়ে রাখা মাংস দিয়ে চুলার আঁচ বাড়িয়ে অল্প পানি দিয়ে ঢেকে দিন। অল্প আঁচে ১০ মিনিট রাখুন।
  • ঝোল শুকিয়ে মাখা মাখা হয়ে গেলে কাঁচামরিচ ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে ১ মিনিট রাখুন। নামানোর আগে ভাজা গরম মশলার ভাজা গুড়া ছিটিয়ে দিন।
  • পরিবেশন এর আগে ভাজা পেয়াজের বেরেস্তা উপরে ছিটিয়ে দিন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার গরুর কড়াই গোস্ত।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।