সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পছন্দের সেদ্ধ ডিম পেতে সময়ের দিকে নজর রাখুন

পছন্দের সেদ্ধ  ডিম পেতে সময়ের দিকে নজর রাখুন 

পানিতে ডিম দিয়ে তা সেদ্ধ করে নিলেই হয়ে যায়। কিন্তু আপনি যদি চান শুধু সেদ্ধ নয়- মানানসই সেদ্ধ, তাহলে সে জন্য রয়েছে বহু পদ্ধতি। গরম পানিতে সরাসরি ডিম দিয়ে সেদ্ধ শুরু করা ভালো হবে নাকি ঠাণ্ডা পানিতে ডিম দিয়ে তারপর চুলোর জ্বাল বাড়িয়ে সেদ্ধ করা ভালো হবে? এ প্রশ্ন অনেকেরই।
এ ক্ষেত্রে ঠাণ্ডা পানিতে ডিম সেদ্ধ করার ভালো উপায় হলো ডিমটিকে ঠাণ্ডা পানিতে দিয়ে তা প্রথমে সেদ্ধ করতে দিন। পানি ফুটে গেলে চুলোর জ্বাল কমিয়ে দিন একেবারে। এভাবে কিছুক্ষণ রেখে নামিয়ে আনুন। তবে আপনি যদি ডিমটির খোসা সহজভাবে ছিলতে চান তাহলে গরম পানিতে তা সরাসরি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।
চিত্রঃপছন্দের সেদ্ধ  ডিম পেতে সময়ের দিকে নজর রাখুন
পছন্দের সেদ্ধ  ডিম পেতে সময়ের দিকে নজর রাখুন 

ডিম কেমন সেদ্ধ করবেন তার জন্য সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি ডিম পছন্দনীয় উপায়ে সেদ্ধ করতে চান তাহলে সময়টি লক্ষ রাখুন। এ ক্ষেত্রে ডিমটি সেদ্ধ করতে হবে গরম পানিতে। অর্থাৎ গরম পানিতে ডিমটি দেয়ার পর সেদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। এরপর নিচের দেওয়া সময়ে উঠিয়ে নিলেই ডিমটি পাবেন পছন্দমতো।

৪ মিনিটঃ নরম সেদ্ধ বা আধা সেদ্ধ, চামচ দিয়ে খেতে হবে
৫ মিনিটঃ ফার্ম হোয়াইট ডিম সেদ্ধ করার জন্য। কিছুটা ঘন হবে।
৬ মিনিটঃ ডিমের কুসুম শক্ত হবে না। তবে উপাদেয় হবে।
৮ মিনিটঃ সামান্য নরম থাকবে কুসুম।
১০ মিনিটঃ কিছুটা শক্ত হবে কুসুম। তবে মাঝখানে সামান্য নরম থাকবে।
১২ মিনিটঃ প্রায় সম্পূর্ণ হবে ডিম সেদ্ধ। মাঝখানে কিছুটা নরম ভাব থাকবে।
১৪ মিনিটঃ সম্পূর্ণ হার্ড বয়েল হবে ডিম। মাঝখানে কুসুম প্রায় শুকিয়ে যাবে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

নাড়ু সংরক্ষন

নাড়ু সংরক্ষন নারকেলের তৈরী যে কোন খাবারই কিছুদিন পর একটি তেলটা গন্ধ। পূজা বা যেকোন সময় নাড়ু বানালে সেটা সাথে সাথে না খেয়ে কিছুদিন সংরক্ষন করা হয়। তাই বেশি দিন সংরক্ষণের জন্য চিনির নাড়ু থেকে গুড়ের তৈরী নাড়ুই বেশি উপযোগী। নাড়ু সংরক্ষন সংরক্ষনের জন্য- * একটি এয়ার টাইট কন্টেইনারে করে আপনি নারকেলের নাড়ু বা সন্দেশ ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন। * বানানোর সময় একটু ছোট এলাচ,কয়েক টুকরো দারচিনি দিয়ে নাড়ুর পাকটা দিলে তেলটা গন্ধ দেরীতে হবে। * চিনির নাড়ু বা সন্দেশ এর মিশ্রনে যে দুধটা দেয়া হয় সংরক্ষণ করে দ্রুত খেয়ে নেয়া স্বাস্থ্যসম্মত। * নাড়ু তৈরির সময় যদি জ্বালটা সঠিক দিতে পারেন এবং এক চিমটি কর্পুর গুড়ো মিশিয়ে দিলেও নাড়ু অনেক দিন ভালো থাকে। * যদি খুব বেশি দিন সংরক্ষণ করতেই চান তবে কড়া পাকের গুড়ের নাড়ু তৈরী করুন। এটি এক-দেড় মাস ভালো থাকবে।