সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

লিপস্টিক ব্যবহারে বুদ্ধি কমে!

লিপস্টিক ব্যবহারে বুদ্ধি কমে!

লিপস্টিকের প্রতি অনেক নারীরই রয়েছে বিশেষ প্রীতি। আধুনিক নারীদের রুপচর্চার অন্যতম একটি উপকরণ হচ্ছে লিপস্টিক। অনেক নারীরা তাদের প্রতিদিনের অনুষঙ্গে লিপস্টিক ছাড়া কল্পনাই করতে পারেন না। বাড়ি থেকে বেরুনোর আগে ঠোঁটে একটু বুলিয়ে নেওয়া অনেক নারীরই অভ্যাস। তাই নারীরা সৌন্দর্যচর্চায় লিপস্টিককে অপরিহার্য বলেই মনে করেন। লিপস্টিক প্রেয়সীদের জন্য দুঃসংবাদ হচ্ছে, লিপস্টিকে ব্যবহৃত সীসা নারীদের বুদ্ধিমত্তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা।
চিত্রঃলিপস্টিক ব্যবহারে বুদ্ধি কমে!
লিপস্টিক ব্যবহারে বুদ্ধি কমে!
শুধুমাত্র লিপস্টিক নয়, নারীদের ঠোঁটের রুপচর্চায় লিপস্টিক, লিপবাম, লিপগ্লস কিংবা লিপলাইনারসহ সকল উপকরণেই সীসা বা লেড ব্যবহার করা হয়।লিপস্টিকে ব্যবহৃত বিভিন্ন রঙের মধ্যেই সীসা থাকে। সত্যিকার অর্থে লিপস্টিক বা ঠোঁটের চর্চায় মূল উপাদানই হলো লেড বা লেড সালফেটের যৌগ। আর এই লেডই হলো সীসা। গবেষকরা বলছেন, এই সকল ঠোঁট চর্চার উপকরণগুলোতে থাকা লেডের ক্ষতিকর প্রভাব  যা বুদ্ধি, আচরণ ও শেখার ক্ষমতার খুব খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।

গবেষণার জন্য তারা ২২টি ব্র্যান্ডের লিপস্টিক পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লিপস্টিকগুলোর মধ্যে প্রায় ১২টিতে সীসার মাত্রা পরিমাণের চেয়ে বেশি পাওয়া যায়। সীসার এই বেশি পরিমাণ মাত্রা মানবদেহের মস্তিষ্কে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। আর এই ক্ষেত্রে লিপস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাবের দিকটি আরো বেশি। গবেষকেরা বলছেন, সামান্য পরিমাণ সীসাও স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

বোস্টনের সীসার প্রভাব প্রতিরোধ কর্মসূচির চিকিৎসক ডা. সিন পালফ্রের মতে, সামান্য পরিমাণ সীসা স্বাস্থ্যের উপর ব্যাপক খারাপ প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এটি মানসিক স্থিতির উপরেও খারাপ প্রভাব ফেলে। বিশেষত, গর্ভবতী মহিলাদের গর্ভজাত সন্তানের ওপরও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

লিপস্টিক লাগানোর ক্ষেত্রে সতর্কতাঃ

* লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁটে ভালো করে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিলে এটি লিপস্টিকের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে অনেকটাই ঠোঁটকে রক্ষা করবে।
* ম্যাট এবং লং লাস্টিং, গাঢ় রঙের লিপস্টিক যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।
* খাবার সময় লিপস্টিক তুলে ফেলা উচিত।
* বাসায় ফিরেই লিপস্টিক তুলে ফেলতে হবে। তারপর ঠোঁটে ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিতে হবে।
*ঠোঁট থেকে চামড়া উঠলে বা ঠোঁট শুকিয়ে গেলে সেই লিপস্টিক ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।