সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চুলের যত্নে ভেষজ উপাদান

চুলের যত্নে ভেষজ উপাদান

চুল বা ত্বক যত্নের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ এবং কার্যকরী জিনিস নিশ্চয়ই বেছে নিবেন! আর তাই আসলে হওয়া উচিৎ। একটু অসতর্কতার ফলে অকালে চুল এবং ত্বকের ক্ষতি করতে কে-ই বা চায়।

ত্বক এবং চুলের যত্নে অনেক ধরণের প্রোডাক্টরই দেখা মিললেও সম্প্রতি হারবাল এবং আয়ুর্বেদে বেশ আলোচিত। এই শব্দ দুটি ভীষণ কনফিউজিং তাই অনেকেই অনেক সময় এই হারবাল এবং আয়ুর্বেদ আসলে কি তা গুলিয়ে ফেলি। সহজ ভাষায় বলতে গেলে হার্বাল প্রোডাক্ট মূলত সেইসব প্রোডাক্ট যা প্ল্যান্ট এক্সট্র্যাক্ট, গাছের শিকড়, লতা-পাতার বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সম্পূর্ণ ম্যান মেইড কেমিক্যাল ফ্রিভাবে তৈরি করা হয়। অন্যদিকে আয়ুর্বেদ হল একটি মেডিসিনাল সাইন্স যাতে হারবাল উপাদানের উপস্থিতির সাথে সাথে হেভি মেটালস যেমন সোনা, রূপা, কপার,টিন,মারকিউরি সালফার এবং প্রাণীজ এক্সট্র্যাক্ট বিদ্যমান থাকে।
চিত্রঃচুলের যত্নে ভেষজ উপাদান
চুলের যত্নে ভেষজ উপাদান
চুল বা ত্বক যার কথাই বলি না কেন প্রাকৃতিক উপাদানের সাথে মানুষের ত্বকের সংমিশ্রন সময় সাপেক্ষ হলেও তা বাজারের কৃত্রিম প্রডাক্টের থেকে অধিকতর নিরাপদ। আর সেদিক থেকে বিবেচনায় আয়ুর্বেদ এবং হারবাল দুটি উপায়ই কিন্তু চুলের যত্নের জন্য নিরাপদ। চলুন তাহলে ভেষজ উপাদান দিয়ে কীভাবে চুলের যত্ন নেয়া যায় সেটা জেনে নেয়া যাক।

* যাদের চুলের গোঁড়া দুর্বল তাদের জন্য ব্রাহ্মী, আমলা, তিলের তেলের সংমিশ্রণ বানানো এই তেলটি সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহার করবেন। চুলায় একটি বড় পাত্রে পানি দিয়ে জ্বাল ধরিয়ে ওই পাত্রের উপর আরেকটি পাত্র বসিয়ে তাতে তিলের তেল ব্রাহ্মী এবং আমলকি মিশিয়ে রেখে দিন ২ ঘন্টা । এরপর ঠাণ্ডা হলে ছেকে পরিষ্কার চুলের গোঁড়ায় লাগান। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই দেখবেন গোঁড়াসহ উঠে আসা চুলের পরিমাণ কমে গিয়েছে।

* খুশকির সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা অ্যালোভেরা জেলের সাথে আমলকী, মেথি এবং ভেতিভার পাতা পেস্ট আকারে তৈরি করে হেয়ার প্যাক হিসেবে লাগাতে পারেন। এতে করে ফাঙ্গাল ইনফেকশন যেমনি কমবে তেমনি খুশকির উপদ্রব কমে যাবে। তবে ময়েশ্চার লেভেল ঠিক রাখতে এর সাথে সামান্য তেল মিশিয়ে নিতে পারেন।

* চুলের আগা ফাটা রোধ করতে মেহেদি, আমলকি, মেথি সবগুলো একসাথে বেটে কয়েকচামচ লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করুন। যাদের চুল একটু শুষ্ক ধরনের তারা আগে চুলে তেল লাগিয়ে নিন। স্কাল্পের চুলকানি কমাতে ও চুল ঝরা রোধে ও সহায়তা করবে এই মিশ্রণ।

মনে রাখবেন হারবাল বা ভেষজ উপায় সবসময়ই ত্বকের এবং চুলের যত্নে সর্বাপেক্ষা শ্রেয়।
ছবি ও তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।