সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পিরিয়ডে সময়ে মেজাজ খিটখিটে!

পিরিয়ডে সময়ে মেজাজ খিটখিটে!

পিরিয়ডের সময় বেশ অস্বস্তিতে ভুগতে হয় মেয়েদের। এসময় আসলে মেয়েদের শরীরে হরমোনের নানারকম পরিবর্তন হয়। মেয়েদের শরীরে একটা গুরুত্বপূর্ণ হরমোন হল ইস্ট্রোজেন। এটি আমাদের মুডকে ঠিক রাখতেও সাহায্য করে। পিরিয়ড শুরু হলে শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা নেমে যায়। ফলে তখন মুড ঘন ঘন অফ হয়। মেজাজ ঠিক থাকে না। এছাড়া পেটে ব্যথা তো একটা সাধারণ সমস্যা। এসময় কোনো কাজও করতে ইচ্ছে করে না। অল্পেতেই মাথা গরম হয়ে যায়। ব্যথার সঙ্গে সামলে নিতে হয় নিজের মেজাজকেও। কারন এই সময়টায় খুব বেশি মুড সুইং (মেজাজ পরিবর্তন) করে। আশেপাশের অনেকেই আপনার এমন ঘনঘন মেজাজের হেরফের নিয়ে বিরক্ত হন। পরিস্থিতি সামলে নিতে না পেরে আপনিও বিব্রত হয়ে পড়েন।
চিত্রঃপিরিয়ডে সময়ে মেজাজ খিটখিটে! ছবিঃ সংগৃহীত
পিরিয়ডে সময়ে মেজাজ খিটখিটে! ছবিঃ সংগৃহীত
পিরিয়ডের কারণে মুড সুইংয়ের সবচেয়ে পরিচিত ধরণগুলো হলো- রেগে যাওয়া, খিটখিটে আচরণ করা, বেশি কান্না পাওয়া, বার বার খাওয়ার ইচ্ছা করা,মাথা ব্যথা, মাথা ঝিমঝিম করা, বমি বমি ভাব, স্তন ফুলে যাওয়া, অল্পতেই অবসাদ অনুভব করা, বিষন্নতায় ভোগা, অস্থিরতা ও নার্ভাস হওয়া। ধূমপান, অনিয়মিত ঘুম, স্ট্রেসের মতো সমস্যা যাদের আছে, তাদের মুড সুইং বেশি হয়। মুড সুইংয়ের এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে নিজেকে অ্যাকটিভ ও ইতিবাচক রাখার চেষ্টা করুন। সেই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণে রাখুন ব্যথাও। তাহলে দেখবেন আপনার মুড এতো সহজেই বিগড়ে যাচ্ছে না। এ সময়ে মেজাজ কন্ট্রোল করতে যা করতে পারেনঃ

১। ২০ মিনিটের জন্য হাঁটার মতো হালকা ব্যায়াম করুন।
২। ব্যথায় আরাম পেতে লাল চা, গরম স্যুপ পান করুন, তবে ক্যাফেইন নয়।
৩। তলপেটে এবং পিঠে ব্যথা হলে গরম পানির বোতল ধরে রাখুন।
৪। পছন্দের কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। অন্যভাবে চিন্তা করার চেষ্টা করুন।
৫। এ সময় যাদের ঘন ঘন ক্ষুধা লাগে, তারা কিছুক্ষণ পরপর অল্প অল্প করে হালকা খাবার খাবেন। খুব বেশি চটপটে বা ঝাল খাবার নয়।
৬। রিল্যাক্সে থাকতে গান শুনুন, মেডিটেশন বা ম্যাসাজ করুন।
৭। নেগেটিভ এবংবিরক্তিকর মানুষের সঙ্গ এড়িয়ে চলুন।
৮। পিরিয়ডের সময় শরীরে এনার্জির স্বল্পতা অনুভব হয়। তাই নিজেকে প্রেসারে না রেখে চাপমুক্ত রাখার চেষ্টা করুন।
৯। শর্করা, আমিষ, আয়রণ বা লৌহ, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
১০। কম লবণযুক্ত খাবার  এবং প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পানকরুন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে। 

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...