সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

লাল রঙের পোশাকে নারী অধিক আবেদনময়ী!

লাল রঙের পোশাকে নারী অধিক আবেদনময়ী!

ছোট বাচ্চা থেকে তরুণী কিংবা মধ্যবয়স্ক সবার কাছেই লাল রঙ অধিক জনপ্রিয়। পার্টি,বিয়ের পোশাক হিসেবে মেয়েরা প্রথমেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন লাল রঙকে লাল রঙ অনেক দূর থেকে সহজেই চোখে পড়ে। লাল রঙকে প্রায়ই কর্মশক্তি, যুদ্ধ এবং বিপদের প্রতীক বলে মনে করা হয়। আমাদের আবেগের ওপর এই রঙের জোরালো প্রভাব রয়েছে এবং এটা মানবদেহের বিভিন্ন কাজ যেমন, বিপাকক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে পারে, শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বাড়াতে পারে ও রক্তচাপ বৃদ্ধি করতে পারে।
চিত্রঃলাল রঙের পোশাকে নারী অধিক আবেদনময়ী!
লাল রঙের পোশাকে নারী অধিক আবেদনময়ী
এই কথা মোটামুটি সকলেই জানেন যে লাল পোশাক পুরুষদের চোখে নারীদেরকে করে তোলে অনেক অনেক বেশী আকর্ষণীয় ও আবেদনময়ী। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন এর পেছনে কারণ কি? গবেষণায় দেখা গেছে এই লাল রঙের পোশাকের সাথে রয়েছে যৌনতার একটি প্রত্যক্ষ সংযোগ। এবং কেবল লাল পোশাক নয়, লাল রঙের কিছু নারীর সাথে থাকলেও তা পুরুষকে সমানভাবে আকর্ষণ করে!
নিউইয়র্কের City University-এর একটি গবেষণায় বের হয়ে এসেছে এই চমকপ্রদ তথ্য। লাল পোশাকে নারী হয়ে ওঠেন পুরুষের জন্য অনেক বেশী আকাঙ্ক্ষিত। তবে কেবল সেই নারীরাই, যাদেরকে পুরুষেরা সুন্দরী মনে করেন বা যাদের প্রতি আগে থেকেই একটু আগ্রহ ছিল। অর্থাৎ, লাল রঙ পরলেই কোন নারী আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেন না কোন পুরুষের চোখে। বরং বলা ভালো, আকর্ষণীয় নারীদের যৌন আবেদন আরও বাড়িয়ে দেয় লাল রঙের পোশাক।সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে লাল রঙটি তাঁদেরকে আবেদনময়ী করে তোলে বিপরীত লিঙ্গের চোখে। এবং পুরুষদেরকে আকর্ষণ করতে চাইলে লাল রঙ হতে পারে অব্যর্থ হাতিয়ার। তবে সব মিলিয়ে অন্য সব রঙের চাইতে লালটিই নারীদের ক্ষেত্রে সবচাইতে আকর্ষণীয় প্রমাণিত। লাল পোশাক শুধু নয়, লাল ব্যাগ কিংবা ল্যাপটপের মত জিনিস বহন করাও কোন একটা বিচিত্র কারণে পুরুষদেরকে আকর্ষণ করে। সুন্দরী নারীরা লাল পরিধান করলে পুরুষের চোখে তাঁরা আরও বেশী আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেন। তবে পুরুষ দৃষ্টি যাকে অসুন্দর মনে করে, তাঁদের ক্ষেত্রে লাল পরিধান কোন প্রভাব ফেলে না। ছবি ও তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।