সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সহজেই দূর করুন ব্ল্যাক হেডস

সহজেই দূর করুন ব্ল্যাক হেডস  

ত্বকে ব্ল্যাক হেডস নিয়ে সমস্যায় পড়েন অনেকেই। ব্ল্যাক হেডস এক ধরনের ব্রন যার ওপর কোন পর্দা থাকেনা। যা বাতাসের সাথে অক্সিডায়েস হয়ে কালো বর্ণ ধারন করে। নাকের উপর আর ঠোঁটের নিচে থুতনির উপরের অংশে ব্ল্যাক হেডসের সমস্যায় কম বেশি সবাইকেই ভুগতে হয়। শরীরে হরমোন পরিবর্তন এবং অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের কারণে ব্ল্যাক হেডসের সমস্যা হয়।
ব্ল্যাক হেডস একটি বেয়ারা সমস্যাই বলা চলে। কারণ এটি স্থায়ীভাবে দূর করা কখনও সম্ভব হয় না। নিয়মিত পরিষ্কার করার পরও এই সমস্যা ফিরে আসতে পারে। তাই প্রতিদিন পরিচর্যা করা জরুরি। ঘরে বসেই ব্ল্যাক হেডস দূর করা যায়-
চিত্রঃসহজেই দূর করুন ব্ল্যাক হেডস
সহজেই দূর করুন ব্ল্যাক হেডস
*  সপ্তাহে একবার ভালো করে স্ক্রাবার দিয়ে মুখ স্ক্রাব করতে হবে। ঘরোয়া উপায়ে ফেসওয়াশের সাথে চিনি মিশিয়ে ব্যবহার করলে স্ক্রাবারের মতো উপকার পাওয়া যায়।
*  ডিমের সাদা অংশ নাকে লাগিয়ে টিস্যু পেপার দিয়ে মুড়ে দেবেন। শুকিয়ে গেলে মাক্সের মতো করে তুলে ফেলবেন। দেখবেন টিস্যু পেপারে ব্ল্যাকহেডস জমা হয়ে আছে।
*  আধা চামচ দারুচিনির গুঁড়া এবং ১ চামচ ময়দা মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। এরপর স্বাভাবিক পানি দিয়ে আস্তে আস্তে ধুয়ে ফেলতে হবে। দারুচিনির জন্য মুখ জ্বলতে পারে কিন্তু তাতে ভয়ের কিছু নেই। কিছুক্ষণ পর ঠিক হয়ে যাবে।
* লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে ত্বকে ঘষে নিতে হবে। এবার আধা ঘণ্টা পর মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে লেবু ব্ল্যাক হেডস দূর করবে আর মধু ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করবে।
* মুখে ময়লা জমেও ব্ল্যাক হেডস হতে পারে। বেকিং সোডা ত্বক ভিতর থেকে পরিষ্কার করে ব্ল্যাক হেডস দূর করতে সাহায্য করে। দুই টেবিল-চামচ বেকিং সোডা পানিতে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। ত্বকের যেখানে ব্ল্যাক হেডসের সমস্যা আছে সেখানে এই পেস্ট লাগিয়ে হালকা হাতে মাসাজ করতে হবে। কিছুটা শুকিয়ে আসলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে দু্ই থেকে তিনদিন এটি ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে।

টিপসঃ

  • অতিরিক্ত  মেক আপ ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। আর ব্যবহার করলেও তা ভালো ভাবে পরিষ্কার করতে হবে। তা না হলে লোমকূপ বন্ধ হয়ে ব্ল্যাক হেডস হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
  • শরীর আর মুখের জন্য আলাদা তোয়ালে ব্যবহার করতে হবে।
  • তৈলাক্ত খাবার পরিহার করতে হবে।
  • প্রতিদিন অন্তত দুই বার মুখ পরিষ্কার করতে হবে। এতে ত্বকের ময়লা দূর হয়, যে তেল পরিষ্কার লোমকূপের মুখ বন্ধ করে আছে, তা সরে যায়।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

নাড়ু সংরক্ষন

নাড়ু সংরক্ষন নারকেলের তৈরী যে কোন খাবারই কিছুদিন পর একটি তেলটা গন্ধ। পূজা বা যেকোন সময় নাড়ু বানালে সেটা সাথে সাথে না খেয়ে কিছুদিন সংরক্ষন করা হয়। তাই বেশি দিন সংরক্ষণের জন্য চিনির নাড়ু থেকে গুড়ের তৈরী নাড়ুই বেশি উপযোগী। নাড়ু সংরক্ষন সংরক্ষনের জন্য- * একটি এয়ার টাইট কন্টেইনারে করে আপনি নারকেলের নাড়ু বা সন্দেশ ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন। * বানানোর সময় একটু ছোট এলাচ,কয়েক টুকরো দারচিনি দিয়ে নাড়ুর পাকটা দিলে তেলটা গন্ধ দেরীতে হবে। * চিনির নাড়ু বা সন্দেশ এর মিশ্রনে যে দুধটা দেয়া হয় সংরক্ষণ করে দ্রুত খেয়ে নেয়া স্বাস্থ্যসম্মত। * নাড়ু তৈরির সময় যদি জ্বালটা সঠিক দিতে পারেন এবং এক চিমটি কর্পুর গুড়ো মিশিয়ে দিলেও নাড়ু অনেক দিন ভালো থাকে। * যদি খুব বেশি দিন সংরক্ষণ করতেই চান তবে কড়া পাকের গুড়ের নাড়ু তৈরী করুন। এটি এক-দেড় মাস ভালো থাকবে।