সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সর্দিতে জীবন অতিষ্ট?

সর্দিতে জীবন অতিষ্ট?

শীত যেন চলেই এলো। চারিদিকে ঠান্ডায় আত্রান্ত হচ্ছে মানুষ। সর্দি কাশিতে ভুগছেন আপনিও। নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝড়ছে, বার বার হাঁচি দিচ্ছেন। এসবের ভেতরেও যেহেতু সময় কাটাতে হবে জেনে নিন এই অবস্থায় একটু আরাম পেতে আপনার যা করনীয়।
চিত্রঃ সর্দিতে করনীয়। ছবিঃ সংগৃহীত
সর্দিতে করনীয়। ছবিঃ সংগৃহীত
সবার আগে হাঁচি থেকে বাঁচার উপায় জেনে নিন। ঘন ঘন হাঁচি দেয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আদাকুঁচি চিবাতে পারেন। এছাড়াও ১/২ চামচ আদার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন পান করতে পারেন। আবার রসুনের তীব্র ঘ্রান হাঁচির জন্য মারাত্মক। তাই আদা দেয়া স্যুপ পান করার পাশাপাশি রসুনের কোয়া টিস্যুতে পেচিয়ে নাকের সামনে ধরতে পারেন। এছাড়াও-

নজেল স্প্রেঃ নাকের পানির সঙ্গে সর্দি বের হয়ে যায়, তাই পানি বন্ধ করাটা ঠিক হবে না। এজন্য সঙ্গে রাখুন নজেল স্প্রে। স্প্রে সর্দিকে পাতলা করে খুব সহজে নাক দিয়ে বের করে দিবে। ভালো ভাবে নাক ঝেড়ে নিলে অনেকক্ষণ আরাম পাওয়া যাবে। নজেল স্প্রে একনাগারে এক সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করবেন না।

ভিক্স ইনহেলারঃ স্প্রে ব্যবহার না করলে ভিক্স ইনহেলার সাথে রাখুন। যখনই নাক বন্ধ ভাব অনুভূতি হবে হাল্কা করে টান দিন, নাকের বন্ধ ভাব কমবে এবং স্বাভাবিক শ্বাস নিতে সুবিধা হবে।

পেট্রোলিয়াম জেলিঃ বারবার নাকের পানি মোছার কারণে চামড়ায় ঘষা লেগে তা ছুলে যায় এবং জলতে থাকে। যত পাতলা কাপড় বা টিস্যু ব্যবহার করুন না কেন, এই সমস্যা দেখা দিবেই। তাই প্রতিবার নাক মোছার পর স্থানটিতে ভেসলিন বা মেরিল জাতীয় পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাবেন।

গরম পানীয়ঃ ঠান্ডা লাগলে গরম খাবার, স্যুপ বা কুসুম গরম পানীয় আরাম দেবে। এতে মাথা ধরার সমস্যাও কমে আসবে। তাই কাজের ফাঁকে ও লাঞ্চে গরম পানীয় জাতীয় খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।

মশলা চাঃ সর্দিতে সবথেকে বেশি আরামের হচ্ছে মশলা দেয়া রঙ চা বা লাল চা পান করা। সেই জন্য এইসময়ে দুধ চায়ের পরিবর্তে আপনি পান করুন লবঙ্গ, এলাচ, দারুচিনি এবং আদা দেয়া গরম লাল চা। এতে করে মাথা ভাড়ি হওয়া ভাব কমবে সাথে শরীরে শীত ভাব ও কম লাগবে।

তুলসী চাঃ লাল চায়ের সাথে সাথে পান করুন তুলসী চা। তুলসী চা অন্য সকল চায়ের থেকে অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত।

রাতে ঘুম ভালো হলে, দিনে মাথা ভার ভার লাগার সমস্যা অনেকটাই কম লাগবে। তাই দু’টো বালিশ দিয়ে মাথা সামান্য উচু রেখে ঘুমান। চিত হয়ে ঘুমালে নিঃস্বাস নিতে কষ্ট হবে। তখন ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে। 

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...