সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চোখের মেকআপ তোলার সহজ কৌশল

চোখের মেকআপ তোলার সহজ কৌশল

অনেক সময় বাইরে থেকে ফিরে আলসেমিতে মেকাপ উঠাতে ইচ্ছে করে না, তবে মেকআপ না উঠালে বুঝতেই পারছেন ত্বকের নাজেহাল অবস্থা হবে! অনেকে বেশি সময় লাগলেও, মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করেন মুখের মেকআপ তোলার জন্য। বিশেষ করে চোখের মেকআপের ক্ষেত্রে আমাদের খুব খেয়াল রাখা উচিত, কেন না চোখ খুব স্পর্শকাতর একটি অঙ্গ। যদি চোখের মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে খামখেয়ালি করেন তবে বিপদ হতে পারে। তাই ঝটপট করে চোখের মেকআপ তোলার সহজ কৌশল জেনে নিন।
চিত্রঃচোখের মেকআপ তোলার সহজ কৌশল
চোখের মেকআপ তোলার সহজ কৌশল

বেবি শ্যাম্পুঃ
 বেবি শ্যাম্পুতে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। তাই নিমেষেই চোখের মেকআপ তোলার জন্য বেবি শ্যাম্পু বেশ উপকারী। তাই আইলাইনার, মাশকারা ও চোখের ভারি মেকআপ বেবি শ্যাম্পু দিয়ে সহজে তুলে ফেলুন। তুলা ছোট গোল গোল করে পানিতে হালকা ভিজিয়ে নিন। চোখের চারপাশ ভেজা তুলা দিয়ে ভিজিয়ে নিন। অল্প পরিমাণে বেবি শ্যাম্পু হাতে নিয়ে চোখের চারপাশে ঘষুন। পরে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ময়েশ্চারাইজারঃ দ্রুত চোখের মেকআপ তোলার জন্য ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম অথবা লোশন মেখে নিন। দেখুন কয়েক সেকেন্ডে চোখের মেকআপ পরিষ্কার করে দেবে। চোখ বন্ধ করে ক্রিম লাগাতে হবে। তা না হলে চোখ জ্বালাতন করতে পারে। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের পর পরিষ্কার ও শুকনো কাপড় অথবা টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন।

তেল দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুনঃ ঘরোয়া উপায়ে নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন মেকআপ রিমুভার। নানা ধরনের তেল রয়েছে যেমন : অলিভ ওয়েল, নারিকেল তেল  ইত্যাদি দিয়ে সহজে আই মেকআপ তুলতে পারেন।

পেট্রোলিয়াম জেলিঃ চোখের মেকআপ তোলার জন্য ব্যবহার করতে পারেন ভ্যাসলিন বা অন্য কোনো পেট্রোলিয়াম জেলি। এটি মূলত সবার ঘরেই থাকে।

বেবি ওয়াইপারঃ বেবি ওয়াইপার চোখের মেকআপ ওঠাতে বেশ কার্যকর। কেন না, শিশুর স্পর্শকাতর ত্বকের জন্যই এসব টিস্যু তৈরি করা হয়। তাই চোখের মেকাপ তুলতেও এটি কাজে দেয়।

যাদের ত্বক বেশি স্পর্শকাতর, তাদের জন্য যেকোন চোখের মেকআপ রিমুভার ব্যবহার না করাই ভালো। বাজারে খুব ভালো নামি দামি মেকআপ রিমুভার রয়েছে, দামের দিকে না তাকিয়ে কিনে ফেলুন। কেননা চোখের ক্ষেত্রে প্রয়োজন ভালো মানের পণ্য, তা না হলে চোখের ক্ষতি হতে পারে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।