সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

টি ট্রি অয়েলের ব্যবহার

টি ট্রি অয়েলের ব্যবহার

মূলত আস্ট্রেলিয়ান টি ট্রি (মেলালেংকা অল্টারনিফোলিয়া) পাতা থেকে নিঃসৃত এক বিশেষ তেল হচ্ছে টি ট্রি অয়েল। পাশ্চাত্য সমাজে কাঁটাছেড়া থেকে শুরু করে ত্বকের যেকোন সমস্যা সমাধানে এ তেল অনেকখনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
চিত্রঃটি ট্রি অয়েলের ব্যবহার
টি ট্রি অয়েলের ব্যবহার

 >> টি ট্রি অয়েল স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ঘরে তৈরি ফেসিয়াল স্ক্রাবার ত্বকের জন্য অনেক উপকারি।  ১/২ কাপ চিনি, ১ টেবিল চামচ মধু, ১/৪ কাপ তিলের তেল বা সম পরিমাণ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, ১০ ফোঁটা টি ট্র্রি অয়েল। এই ৪ টি উপকরণ খুব ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ২/৩ মিনিট ভাল করে ম্যাসাজ করুন। কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন।
>> টি ট্রি অয়েল এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানের কারণে বেশ কয়েকটি টুথপেস্ট ও মাউথওয়াশে এটি ব্যবহার করা হয়।
>> পায়ের নখে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সমস্যা যেমন- রঙের ভিন্নতা, মোটা হয়ে যাওয়া কিংবা নখ ভেঙ্গে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় টি ট্রি অয়েলের ব্যবহার অন্যতম।
>> টি ট্রি অয়েলের আরেকটি দারুণ ব্যবহার হলো এটি ঘর পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হতে পারে। এর ভেতর বেশ শক্তিশালী অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান আছে যেগুলো ব্যাকটেরিয়া নিধনে সাহায্য করে। টি ট্রি অয়েল ক্লেনজার তৈরি করতে এর সঙ্গে পানি ও ভিনেগার মেশান। অতঃপর এ মিশ্রণের সাহায্যে রান্নাঘরের কাউন্টার টপ, গোসলখানা, টয়লেট ও সিংক পরিষ্কার করতে পারবেন।
>> টি ট্রি অয়েল অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদানে পরিপূর্ণ, সেক্ষেত্রে এটি ব্রণ দূর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি অনেকটা বেনজয়েল পারঅক্সাইড এর মতন কার্যকরী। আপনার ত্বক যদি সংবেদনশীল হয়, তবে অবশ্যই পানির সঙ্গে মিশিয়ে নেবেন এবং শুধুমাত্র ব্রণের ওপর লাগাবেন।
>> শরীরের দুর্গন্ধ দূর করতে টি ট্রি অয়েলের জুড়ি নেই। ঘামের কারণে শরীরে যে দুর্গন্ধ হয় সেটির ব্যাকটেরিয়া এ তেল সহজেই মেরে ফেলে।
>> ইতালিয়ান একটি গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে যে টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে মাথার উকুন শতভাগ দূর করা যায় এবং একনাগাড়ে পাঁচ দিন ব্যবহারে উকুনের ডিম থেকেও নিস্তার পাওয়া যায়!

টি ট্রি অয়েল এতোটাই কাজের এটি যে সকলে টি ট্রি অয়েলকে 'বোতলের ভেতর মেডিসিন ক্যাবিনেট' বলে আখ্যায়িত করে থাকেন। বড় বড় সুপার শপ থেকে শুরু করে মেডিকেল স্টোরেও আজকাল পাওয়া যায় টি ট্রি অয়েল। দামটা একটু বেশি হলেও এর বহুমুখী প্রতিভার কথা জেনে সচেতন মানুষেরা আপন করে নিয়েছেন এটিকে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

নাড়ু সংরক্ষন

নাড়ু সংরক্ষন নারকেলের তৈরী যে কোন খাবারই কিছুদিন পর একটি তেলটা গন্ধ। পূজা বা যেকোন সময় নাড়ু বানালে সেটা সাথে সাথে না খেয়ে কিছুদিন সংরক্ষন করা হয়। তাই বেশি দিন সংরক্ষণের জন্য চিনির নাড়ু থেকে গুড়ের তৈরী নাড়ুই বেশি উপযোগী। নাড়ু সংরক্ষন সংরক্ষনের জন্য- * একটি এয়ার টাইট কন্টেইনারে করে আপনি নারকেলের নাড়ু বা সন্দেশ ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন। * বানানোর সময় একটু ছোট এলাচ,কয়েক টুকরো দারচিনি দিয়ে নাড়ুর পাকটা দিলে তেলটা গন্ধ দেরীতে হবে। * চিনির নাড়ু বা সন্দেশ এর মিশ্রনে যে দুধটা দেয়া হয় সংরক্ষণ করে দ্রুত খেয়ে নেয়া স্বাস্থ্যসম্মত। * নাড়ু তৈরির সময় যদি জ্বালটা সঠিক দিতে পারেন এবং এক চিমটি কর্পুর গুড়ো মিশিয়ে দিলেও নাড়ু অনেক দিন ভালো থাকে। * যদি খুব বেশি দিন সংরক্ষণ করতেই চান তবে কড়া পাকের গুড়ের নাড়ু তৈরী করুন। এটি এক-দেড় মাস ভালো থাকবে।