সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পিরিয়ডের সময় যে খাবারগুলো না খাওয়াই ভালো

পিরিয়ডের সময় যে খাবারগুলো না খাওয়াই ভালো

পিরিয়ডের সময় হরমনের পরিবর্তনের কারনে প্রায় অধিকাংশ নারীর তল পেটে ব্যথা, মেজাজ ঠিক না থাকাসহ বিভিন্ন শারীরিক অস্বস্তি হয়ে থাকে। কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলির জন্য এই অস্বস্তি, পেট ব্যাথা বেড়ে যায়। তাই সেই ধরনের খাবার এই সময় না খাওয়াই ভালো। যেমনঃ
চিত্রঃপিরিয়ডের সময় যে খাবারগুলো না খাওয়াই ভালো
পিরিয়ডের সময় যে খাবারগুলো না খাওয়াই ভালো
ফ্যাট যুক্ত খাবারঃ পিরিয়ডের সময় শরীরে কিছু হরমনের পরিবর্তন হয়। তার ফলে পিরিয়ডের সময় বক্ষের আকৃতি বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ একটু ফুলে যায়। সেই সঙ্গে শরীরের ওজনও একটু বাড়ে। আবার পিরিয়ড কমে গেলে স্বাভাবিক হয়ে যায়। যেহেতু এই সময় শারীরিক ওজন একটু বাড়ে তাই, এই সময় ফ্যাট জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।
চিত্রঃপিরিয়ডের সময় যে খাবারগুলো না খাওয়াই ভালো 
মিষ্টিঃ এই সময় শরীরে হরমনের কিছু পরিবর্তনের ফলে রক্তে সুগার লেবেলের পরিবর্তন হয়। আর খুব বেশী মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে রক্তের সুগার লেবেল বেড়ে যেতে পারে। সুগার লেবেল স্বাভাবিক না থাকলে শরীরে নানা রকম সমস্যা হয়। মেজাজ খারাপ, ঘন ঘন মেজাজ পরিবর্তন ইত্যাদি। এছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর প্রভাব পরে। তাই এই সময় বেশি মিষ্টি খাওয়া ঠিক নয়।
চিত্রঃপিরিয়ডের সময় যে খাবারগুলো না খাওয়াই ভালো
প্রসেস ফুডঃ এই সময় লবন কম খাওয়া উচিত। কারণ আমরা আগেই জেনেছি এই সময় বক্ষ, শরীর একটু ফুলে যায়। ওজন একটু বেড়ে যায়। আর লবন শরীরে জলের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়। তার ফলে শরীর আরও বেশি ফুলে যাবার সম্ভবনা থাকে। তাই প্রসেস ফুড খেতে বারন করা হয় কারণ এগুলি ঠিক রাখার জন্য, এতে প্রিজারভেটিভ হিসাবে প্রচুর লবন মেশানো থাকে। এই সময় প্রসেস ফুডের বদলে টাটকা খাবার খাওয়া উচিত।
চিত্রঃপিরিয়ডের সময় যে খাবারগুলো না খাওয়াই ভালো
চা, কফিঃ পিরিয়ডের সময় চা, কফি খুব কম খেতে বলা হয়। কারণ এগুলিতে থাকা ক্যাফেইন এই সময় শরীরের জন্য ঠিক নয়। কারণ এই সময় অনেকেরই পেট ব্যথা করে, আর এগুলি বেশি খেলে পেট ব্যথা বেড়ে যাবার সম্ভবনা থাকে। এছাড়া এই সময় এমনি শরীরে অস্বস্তি হয়, তার ফলে ভালো করে ঘুম হয়না, খাবার ইচ্ছা থাকেনা। আবার মন মেজাজও অনেক সময় ভালো থাকেনা। আর এই জাতীয় পানীয় এই শারীরিক অস্বস্তি গুলিকে আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই এই সময় দিনে খুব বেশি চা, কফি, নরম পানীয় না খাওয়াই ভালো।

অ্যালকোহলঃ এই সময় অ্যালকোহল খুব ক্ষতিকারক। অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করলে অনিয়মিত পিরিয়ডের একটি সম্ভবনা থাকে। শুধু অনিয়মিত পিরিয়ড নয় এটি শারীরিক অস্বস্তিকে বহুগুনে বাড়িয়ে দেয়। তাই ওই কয়েকটি দিন অ্যালকোহল বন্ধ রাখাই ভালো।

দুধ জাতীয় খাবারঃ দুধ জাতীয় খাবার যেমন, পনির, চিজ, আইসক্রিম এগুলি খুব বেশি খেতে বারন করা হয়। কারণ এই খাবার গুলির ফলে পেটে ব্যথা বেড়ে যাবার সম্ভবনা থাকে। পেটের ভেতর অস্বস্তি বেড়ে যায়। এছাড়াও এগুলিতে বেশি ফ্যাট থাকে। আগেই বলেছি ফ্যাট জাতীয় খাবার এই সময় খাওয়া ভালো না। তাই শুধু দুধ জাতীয় খাবার নয়, পাঁঠার মাংস সেটিও বেশি খাওয়া ঠিক নয়। এতেও খুব বেশি ফ্যাট থাকে।


তাই পিরিয়ড চলাকালীন সময় যতটা সম্ভব টাটকা শাকসবজি, ফল, ও ফাইবার, আয়রন যুক্ত খাবার খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।