সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ত্যাগ করুন পরচর্চার মানসিকতা

ত্যাগ করুন পরচর্চার মানসিকতা

বাড়াতে যাওয়া কিংবা গল্প আড্ডার বসে কথার মদ্ধেই অনুপস্থিত অন্য কোন ব্যাক্তির সম্পর্কে না জেনে বুঝে কিংবা হিংসাই বশবর্তি হয়ে তার সম্পর্কে বাজে, মিথ্যা মন্তব্য করাই পরচর্চা। পরচর্চার ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় নারীরাই এগিয়ে। নারীদের একে অন্যের বন্ধু হলেও আধুনিক যুগেও নারীরাই অবমাননা করছে নারীদের একটি গবেষণায় দেখা যায় অধিকাংশ নারীই একে অপরের নামে পরচর্চা করে থাকেন, তা সে কর্মক্ষেত্র বা স্কুল-কলেজে যেখানেই হোক না কেন। এমনকি কোথাও বেড়াতে গেলেও নারীদের পরচর্চা থেমে থাকে না।

ত্যাগ করুন পরচর্চার মানসিকতা
একজন অপরজনকে কিভাবে নিচে নামানো যায়, কি করে হেয় প্রতিপন্ন করা যায় তা নিয়ে তারা চিন্তিত। পরচর্চার কারনে নিজের অজান্তেই অনেক ভালো এবং গভীর সম্পর্কও ভেঙে যায়। কিন্তু এ নিয়ে হয়তো তার কোন ভ্রুক্ষেপ ও নেই। নিজের মতো করে কথা বানিয়ে, বাজে মন্তব্য করে, অপরকে ছোট করার কাজে মত্ত সবাই। নারীরা একজন অপরজন সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করার একটি সুযোগও ফেলতে চান না। এই ধরণের ঘটনা প্রায় সব জায়গাতেই ঘটে থাকে। স্কুল-কলেজ, ইউনিভার্সিটি ও কর্মক্ষেত্রে অভ্যাস কিংবা পোশাকআশাক ও সাজগোজের ভিত্তিতে নারীরা নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন করেন। সকলেই পত্রিকায় বা ম্যাগাজিনে ফ্যাশনেবল পোশাক পরিহিতা মডেল দেখতে অভ্যস্ত হলেও নিজের পাশে ওই একই ধরণের পোশাক পরিহিতা নারী দেখে ভ্রু কুঁচকে ফেলেন এবং বাজে মন্তব্য করতে পিছপা হন না তাকে না জেনেই। অথচ তারা বিবেচনা করেন না এর কি প্রভাব পরতে পারে নিজের, পরিবার এবং সমাজের উপর।
পরনিন্দা এমনিতেই ঠিক নয়, শিশুদের সামনে তো কখনোই নয়। শিশুর সামনেই পরনিন্দায় রত অনেকে ভাবেন, ‘ও তো ছোট, কিছু বুঝবে না।’ কেউ আছেন, এটুকু ভাবেনও না। সেখানে মা-বাবা বা যেকোনো কাছের মানুষ পরনিন্দা করলে তার নৈতিক উন্নয়ন ছোটবেলায়ই বাধাগ্রস্ত হয়। এছাড়া আত্বীয়দের মনে সেই মানুষটি সম্পর্কে ভালো কোন ধারণা পোষন করতে পারবেনা। সন্তানেরা বাবা মায়ের মতো নিজেরাও এমন আচরন আয়ত্ব করতে শেখে। তাই নিজের ও পরিবার, আত্ত্বীয়, বন্ধুদের মাঝে নিজেকে হেয় করতে না চাইলে পরচর্চা, পরনিন্দা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে।