সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ফাল্গুন কিংবা ভালোবাসা দিবসে চু্লে থাকুক বসন্তের রঙিন ফুল!

ফাল্গুন কিংবা ভালোবাসা দিবসে চু্লে থাকুক বসন্তের রঙিন ফুল!

আকাশে বহিছে প্রেম, নয়নে লাগিল নেশা
কারা যে ডাকিল পিছে! বসন্ত এসে গেছে

মধুর অমৃত বাণী, বেলা গেল সহজেই
মরমে উঠিল বাজি; বসন্ত এসে গেছে

থাক তব ভুবনের ধুলিমাখা চরণে
মথা নত করে রব, বসন্ত এসে গেছে
বসন্ত এসে গেছে।।
চিত্রঃবসন্তে ফুলের সাঁজ। ছবিঃ সংগৃহীত
বসন্তে ফুলের সাঁজ। ছবিঃ সংগৃহীত
শীতের হিম বিদায় নেবার কাল উপস্থিত, চলে আসছে বসন্ত। তাসে ফুলের গন্ধ আর কোকিলের ডাক এখনই জানিয়ে দিচ্ছে বসন্ত আগমনের বার্তা। বসন্তের প্রথম দিন পয়লা ফাল্গুন উৎসবের আনন্দটাই অন্যরকম। সবাই বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে, মাথায় ফুল দিয়ে উৎসবে যোগ দেন। ছোট থেকে বড় সবার সাজেই সেদিন প্রকাশ পাবে উৎসবের আমেজ। কখনো বা রঙিন চুড়িতে, নয় তো পরনের লাল-কমলা শাড়িতে, চুলের ফুলে।

বসন্তের সাজে আবেদন আনতে ফুলের জুড়ি মেলা ভার। এক সময় গাঁদা, রজনীগন্ধা, গোলাপ এই ফুলগুলোই ছিল চুলের শোভা হয়ে। তবে ফুলের সাজে এখন কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। বাজারে আসা অন্য ফুলের চাহিদাও এখন অনেক। বসন্তের প্রথম দিনটিতে প্রকৃতির বিভিন্ন ফুলের রঙে রঙিন হতে আপনিও চাইলে ভিন্ন ফুলের সাজে নিজেকে সাজিয়ে নিতে পারেন। শুধু খোঁপা নয়, চুলের বিভিন্ন রকম স্টাইলের সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন ফুলও ব্যবহার করা হচ্ছে। একটু অন্যরকম ফুলের ব্যবহারে চুলের সাজ পেয়েছে ভিন্নতা।
চিত্রঃ বসন্তে ফুলের সাঁজ। ছবিঃ সংগৃহীত
বসন্তে ফুলের সাঁজ। ছবিঃ সংগৃহীত

বসন্তের ফুলঃ মেরুন, হলুদ, সাদা, নীল রঙের চন্দ্রমল্লিকা, ক্যালানডুলা ফুলগুলোর চাহিদা থাকে পয়লা ফাল্গুনের সাজে অনেক বেশি। এছাড়া হলুদ-লাল রঙের চায়নিজ চেরিও তাল মেলাচ্ছে অন্যদের সঙ্গে। বসন্ত উৎসবে আরও পরা যায় গ্ল্যাডিওলাস, রজনীগন্ধা, জারবারা, গোলাপ। রঙিন ফুলের ভিড়ে হলুদ গাঁদা মন কাড়বেই। তাই চুলের সাঁজে ফুলের ব্যবহারের ইচ্ছা থাকলে দেখে নিন কিছু টিপসঃ

>> চুল খোলা রাখলে, অর্থাৎ ছেড়ে দিলে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগবে। তবে বাঁধলে যেন তা খুব আঁটসাঁট না হয়। একটু ঢিলেঢালা রাখাই ভালো।
>> চুলে অগোছালো সাজ দিলেও তাতে থাকতে হবে ছন্দ। সামনের দিকে চুল মেসি করে পেছনে হালকা কোঁকড়া করে ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে চুলের পেছন দিকটায় ফুল গুঁজে নিতে পারেন।
>> দুপাশে খেজুর বেণি করে দুই পাশেই ফুল গুঁজতে পারেন।
>> এক পাশেও বেণি করতে পারেন। তখন ফুলের ব্যান্ড ব্যবহার করা যায়।
>> খোলা চুলেও ভালো লাগবে ফুলের ব্যান্ড।
>> চারদিকে ফুল না দিয়ে একটু ভিন্নভাবে গড়ে নিন ফুলের ব্যান্ড। ব্যান্ডের দুই পাশে অথবা যেকোনো এক পাশে ফুল গুঁজে আর বাকি অংশটা চেইন, রঙিন কাপড় অথবা ফিতা দিয়ে জড়িয়ে নিতে পারেন।
>> পুঁতি আর ফুল দিয়ে চেইনের মতো বানিয়ে মাথার এক পাশ থেকে শুরু করে পুরো বেণিতে বেঁধে নিতে পারেন।
>> ফুলের ব্যান্ডে ছোট ছোট ফুল ব্যবহার করলে বেশি ভালো লাগবে। বসন্তে ছোট আকৃতির চন্দ্রমল্লিকা, ক্যালেন্ডুলা আর গোলাপও পাবেন।
>> ফুটন্ত ফুল ছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন ফুলের কলি কিংবা আধা ফোটা কলি।
>> চুলে শুধু ফুলই নয়, এর সঙ্গে সবুজ বা শুকনো পাতাও ব্যবহার করতে পারেন। ফুলের ব্যান্ডে পাতার ব্যবহার ভিন্নতা এনে দেবে।
>> চুলে তাজা ফুলের ব্যবহার তো আপনাকে রঙিন করেই। তবে তারও আগে বাছাই করে নিতে হবে বসন্তের পোশাকটা।

পহেলা ফাল্গুনের দ্বিতীয় দিনই বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বসন্তের এই সময়টা উৎসবের। প্রকৃতি আর নগরজীবন‍—দুটোই যেন মেতে ওঠে উৎসবের রঙে। প্রকৃতির রঙে রাঙিয়ে নিজেকে সাজাতে আর ভালোবাসায় ভিন্ন মাত্রা এনে দিবে চুলে এক গুচ্ছ তাজা ফুল। কারন, ভালোবাসা কিংবা বসন্তের সবচেয়ে সুন্দর সাজ হচ্ছে চুলে বসন্তের ফুল তুলে আনা।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে। 

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস

খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস প্রাকৃতিক ও জলবায়ুর পরিবর্তন, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব ইত্যাদি কারণে মানুষের আকার দিন দিন কমে আসছে। যে সকল মেয়েদের উচ্চতা কম তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হীনমন্যতায় ভুগেন।  কম উচ্চতার মেয়েরাও হতে পারেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী। তারা যদি তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নির্বাচনে একটু সচেতন হোন তাহলে আপাতত দৃষ্টিতে খুব একটা খাটো লাগবেনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খাটো মেয়েদের জন্য কিছু ফ্যাশন টিপসঃ খাটো মেয়েদের জন্য ফ্যাশন টিপস *  বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রায় এক রঙের পোশাক পড়লে উচ্চতা নিয়ে একটি বিভ্রম তৈরি করে এবং দেখতে বেশি খাটো লাগবে না। এক্ষেত্রে একরঙা পোশাক ব্যবহার করুন।   *  হাই-ওয়েস্ট বা উচ্চ কোমরের নকশার পোশাক যেমন, ট্রাউজার্স, স্কার্টস, হাফপ্যান্ট বেশি হাইয়ের পোশাক। কারন এগুলোতে পা-কে অনেক লম্বা দেখায়। *  উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের চেয়ে লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন। *...