সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

চুলের পরিচর্যায় ক্যাস্টর অয়েল

চুলের পরিচর্যায় ক্যাস্টর অয়েল চুলের যত্নে আমরা নানা কিছুরই ব্যবহার করে থাকি। সুস্থ ও সুন্দর চুলের প্রত্যাশা থাকে প্রত্যেকেরই। সুন্দর ও ঝলমলে চুল পেতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন ক্যাস্টর অয়েল। ক্যাস্টর অয়েলে রয়েছে ভিটামিন ই, মিনরেলস, প্রোটিন, অ্যাসেন্সিয়াল ফ্যাটি এসিড। যা চুল পড়া রোধ করার পাশাপাশি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। ক্যাস্টর অয়েল এমন একটি তেল যা প্রায় সকল হেয়ার ট্রিটমেন্টে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। চলুন জেনে নেয়া যাক চুলের পরিচর্যায় ক্যাস্টর অয়েলের ব্যবহার পদ্ধতিঃ চুলের পরিচর্যায় ক্যাস্টর অয়েল ১। এক চা চামচ মধু, দুই চা চামচ ক্যাস্টর অয়েল এবং একটি ডিম ভালোমতো মিশিয়ে চুলে ভালোমতো লাগান। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি আপনার নিষ্প্রাণ এবং রুক্ষ চুলের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে একে নরম করবে। ২।  ক্যাস্টর অয়েল, নারকেল তেল এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভালোমতো মিশিয়ে চুলে এবং স্ক্যাল্পে ভালোমতো লাগিয়ে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। ৩। ক্যাস্টর অয়েল খুব ঘন তাই এটি চুলে লাগানোর আগে রেগুলার চুলের তেল (নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, বাদাম তেল) এর সঙ্গে মিশিয়ে লাগান। স্ক্যাল্পে ভা...

জেনে নিন ঠান্ডা এবং সর্দির সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়

জেনে নিন ঠান্ডা এবং সর্দির সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়  এটা ঠান্ডা এবং সর্দি ঋতু ভিত্তিক রোগ। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে অনেকেই এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। অনেকের আবার এলার্জিগত কারণেও ঠান্ডা লেগে থেকে। কারণ যাই হোক যদিও এটি একটি সাধারণ ব্যাপার কিন্তু এটি অত্যন্ত বিরক্তিকর অসুখ। চলুন জেনে নেই সর্দি নিরাময়ের কয়েকটি পদ্ধতি। জেনে নিন ঠান্ডা এবং সর্দি সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়  – প্রচুর পরিমানে পানি পান করুণ। এটা নিজেকে জলয়োজিত, আর্দ্র এবং সংক্রমণ থেকে গুরে রাখবে। সাইনাস এর সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেও পানি পান করা আবশ্যক। – সবসময় একটি উষ্ণ পরিবেশে থাকুন। বেশি সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকলে মাথা ব্যাথা মাথাব্যাথা, ঠান্ডা এবং সর্দি হতে পারে। তাছাড়া এটি সর্দিকে জমিয়ে শক্ত করে দেয়। – ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া বাড়িয়ে দিন। কমলালেবু, স্ট্রবেরি এবং অন্যান্য সাইট্রাস জাতীয় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খান। অন্যথা, আপনি ভিটামিন সি ট্যাবলেটও গ্রহণ করতে পারেন। নিয়মিত লেবু খান। লেবুতে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি, যা ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করে। -স্যালাইন নাসাল স্প্রে ব্যাবহার করতে পারেন।...

সর্দিতে জীবন অতিষ্ট?

সর্দিতে জীবন অতিষ্ট? শীত যেন চলেই এলো। চারিদিকে ঠান্ডায় আত্রান্ত হচ্ছে মানুষ। সর্দি কাশিতে ভুগছেন আপনিও। নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝড়ছে, বার বার হাঁচি দিচ্ছেন। এসবের ভেতরেও যেহেতু সময় কাটাতে হবে জেনে নিন এই অবস্থায় একটু আরাম পেতে আপনার যা করনীয়। সর্দিতে করনীয়। ছবিঃ সংগৃহীত সবার আগে হাঁচি থেকে বাঁচার উপায় জেনে নিন। ঘন ঘন হাঁচি দেয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আদাকুঁচি চিবাতে পারেন। এছাড়াও ১/২ চামচ আদার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন পান করতে পারেন। আবার রসুনের তীব্র ঘ্রান হাঁচির জন্য মারাত্মক। তাই আদা দেয়া স্যুপ পান করার পাশাপাশি রসুনের কোয়া টিস্যুতে পেচিয়ে নাকের সামনে ধরতে পারেন। এছাড়াও- নজেল স্প্রেঃ  নাকের পানির সঙ্গে সর্দি বের হয়ে যায়, তাই পানি বন্ধ করাটা ঠিক হবে না। এজন্য সঙ্গে রাখুন নজেল স্প্রে। স্প্রে সর্দিকে পাতলা করে খুব সহজে নাক দিয়ে বের করে দিবে। ভালো ভাবে নাক ঝেড়ে নিলে অনেকক্ষণ আরাম পাওয়া যাবে। নজেল স্প্রে একনাগারে এক সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করবেন না। ভিক্স ইনহেলারঃ স্প্রে ব্যবহার না করলে ভিক্স ইনহেলার সাথে রাখুন। যখনই নাক বন্ধ ভাব অনুভূতি হবে হাল্কা করে টান দিন, নাকের ব...

পিরিয়ডে সময়ে মেজাজ খিটখিটে!

পিরিয়ডে সময়ে মেজাজ খিটখিটে! পিরিয়ডের সময় বেশ অস্বস্তিতে ভুগতে হয় মেয়েদের। এসময় আসলে মেয়েদের শরীরে হরমোনের নানারকম পরিবর্তন হয়। মেয়েদের শরীরে একটা গুরুত্বপূর্ণ হরমোন হল ইস্ট্রোজেন। এটি আমাদের মুডকে ঠিক রাখতেও সাহায্য করে। পিরিয়ড শুরু হলে শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা নেমে যায়। ফলে তখন মুড ঘন ঘন অফ হয়। মেজাজ ঠিক থাকে না। এছাড়া পেটে ব্যথা তো একটা সাধারণ সমস্যা। এসময় কোনো কাজও করতে ইচ্ছে করে না। অল্পেতেই মাথা গরম হয়ে যায়। ব্যথার সঙ্গে সামলে নিতে হয় নিজের মেজাজকেও। কারন এই সময়টায় খুব বেশি মুড সুইং (মেজাজ পরিবর্তন) করে। আশেপাশের অনেকেই আপনার এমন ঘনঘন মেজাজের হেরফের নিয়ে বিরক্ত হন। পরিস্থিতি সামলে নিতে না পেরে আপনিও বিব্রত হয়ে পড়েন। পিরিয়ডে সময়ে মেজাজ খিটখিটে! ছবিঃ সংগৃহীত পিরিয়ডের কারণে মুড সুইংয়ের সবচেয়ে পরিচিত ধরণগুলো হলো- রেগে যাওয়া, খিটখিটে আচরণ করা, বেশি কান্না পাওয়া, বার বার খাওয়ার ইচ্ছা করা,মাথা ব্যথা, মাথা ঝিমঝিম করা, বমি বমি ভাব, স্তন ফুলে যাওয়া, অল্পতেই অবসাদ অনুভব করা, বিষন্নতায় ভোগা, অস্থিরতা ও নার্ভাস হওয়া। ধূমপান, অনিয়মিত ঘুম, স্ট্রেসের মতো সমস্যা যাদের আছে, তাদের মুড সুইং ...

শাড়ি বুঝে ব্লাউজ নির্বাচন করুন

শাড়ি বুঝে ব্লাউজ নির্বাচন করুন শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ মিলিয়ে পরার ক্ষেত্রে নারীদের জুড়ি নেই। মার্কেট থেকে পছন্দের কোনো শাড়ি কেনার সময়ই ব্লাউজের চিন্তা মাথায় ঢুকে। মানানসই রঙের ব্লাউজ না হলে শাড়ির সৌন্দর্যও যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আর তাই প্রত্যেক নারীর কাছে ব্লাউজ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। যে ব্লাউজ ই পরুন না কেন সেটা যেন হয় আপনার বয়স, পরিবেশ এবং শরীরের মাপের সাথে মানানসই। তাই ব্লাউজের ক্ষেত্রে  আগে আপনার শাড়ির ধরণ বুঝে তারপরে ব্লাউজ নির্বাচনের  করুন। শাড়ি বুঝে ব্লাউজ নির্বাচন করুন। ছবিঃসংগৃহীত ১। জর্জেট, সিল্ক, মসলিনের মতো স্বচ্ছ শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ নিয়ে ভাবনাটা একটু বেশিই থাকে। এ ক্ষেত্রে বেছে নিন মখমলের ব্লাউজ। ২। মখমখ ফ্রেবিকসে এমনিতেই বেশ গর্জিয়াস লুক পাওয়া যায়। আরেকটু জমকালো চাইলে গলায় এমব্রয়ডারি নকশা হতে পারে। পেছনে বোতাম দিলে ব্যবহারে আরাম পাওয়া যাবে। পার্ল বা স্টোনের অর্নামেন্টাল বোতাম ব্যবহার করতে পারেন। ৩। একটু গাঢ় রঙের স্লিভলেস মখমল ব্লাউজ যেকোনো প্রিন্টেড শাড়ির সঙ্গে অনায়াসে মানিয়ে যাবে। ৪। একরঙা শাড়ির ক্ষেত্রে ব্লাউজের রঙের বিপরীতে যেকোনো শাড়িই...

নিত্য প্রয়োজনীয় টুকিটাকি টিপস

নিত্য প্রয়োজনীয় টুকিটাকি টিপস নিত্য প্রয়োজনীয় টুকিটাকি টিপস ১। বাচ্চাদের জামাকাপড় বা কাঁথায় যদি তার বমির দুর্গন্ধ থেকে যায়, তবে কাচার পর জলে আধ চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে তাতে জামাকাপড় ডুবিয়ে নেবেন। দুর্গন্ধ দূর হবে। ২। জানালা, দরজার কাঁচ ঝকঝকে করে তুলতে মিহি চক গুঁড়োর সঙ্গে জল আর স্পিরিট অথবা কেরোসিন মিশিয়ে কিছুক্ষণ কাঁচের ওপর মাখিয়ে নিন, শুকিয়ে গেলে খবরের কাগজ দিয়ে মুছে ফেলুন। ৩। চিনির পাত্রের মধ্যে দু-চারটি লবঙ্গ দিয়ে রাখলে পিঁপড়ে ঢুকবে না। ৪। চশমা ঝকঝকে পরিষ্কার রাখতে হলে এক ফোঁটা ভিনিগার দিয়ে কাঁচ পালিশ করুন। ৫। কাঠের আসবাবপত্র ঠাণ্ডা চা-পাতা ফোটানো জল দিয়ে পালিশ করুন। ঝকঝকে হয়ে উঠবে। ফ্রিজের গায়ে দাগ ধরে গেলে স্পঞ্জে টুথপেস্ট লাগিয়ে ঘষুন। দাগ উঠে যাবে। ৬। ছানা কাটানোর জন্য লেবুর রসের বদলে ফুটন্ত দুধে ১ চামচ দই ফেলে দিন। ছানা নরম হবে। ৭। চালের গুঁড়োর পিঠে করলে সাধারণত শক্ত হয়। পিঠে করার আগে যদি চালের গুঁড়োতে কিছুটা খই মাখিয়ে নেওয়া হয় তবে পিঠে নরম হয় এবং খেতেও ভাল লাগে। ৮। গরু বা মোষের দুধ ঠিক সময় মতো গরম না করলে দুধ কেটে যাবার ভয় থাকে। দুধের মধ্যে দু-ফোঁটা সরষে...

সহজেই দূর করুন বগলের কালো দাগ

সহজেই দূর করুন বগলের কালো দাগ আন্ডারআর্ম বা বগলের কালো দাগ অনেকের জীবনের খুব বিরক্তিকর সমস্যা। সাধারণত মরা কোষ জমে বগলের নিচের অংশ কালো হয়ে যায়। পোশাকের ঘর্ষণ থেকে শুরু করে লোম পরিষ্কার, নানা কারণে হয় কালো দাগ। এছাড়া বংশগত কারণে, অতিরিক্ত ডিওডোরেন্ট ও বডি স্প্রে ব্যবহারের কারণে, ডায়াবেটিস এর কারণে কিংবা হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়ার কারনে ও মুখোমুখি হতে হয় এই সমস্যার। নানান ক্রিম ব্যবহার করে এই দাগ সাময়িক ভাবে দূর করা যায়, কিন্তু আমাদেরই ভুলে সেটা আবার ফিরে আসে। যেহেতু এসব অঙ্গের যত্ন নিয়ে কেউ পার্লারে যেতে চান না এবং এখানে সব ধরণের পণ্য ব্যবহার করা যায় না, তাই জেনে নিন কিছু ঘরোয়া উপায়। যেগুলো কেবল আপনার বগলের কালো দাগ দূর করবেই না বরং দাগ সরিয়ে সবসময় বগলকে ফর্সা ও সুন্দর রাখবে খুব সহজে। সহজেই দূর করুন বগলের কালো দাগ ১। আন্ডারআর্ম এর ত্বকের মৃত কোষ জমা হয়ে সেই অংশ কালো হয়। এজন্য এই মরা কোষগুলো দূর করা প্রয়োজন ।এই মরা কোষ দূর করার জন্য আপনি স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। তবে স্ক্রাবটি যেন ল্যাকটিক এসিড সমৃদ্ধ হয়। ২। বগলের কালো দাগের উপর সরাসরি লেবু ঘষুন। ১০ মিনিট...