সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

চুলের পরিচর্যায় ক্যাস্টর অয়েল

চুলের পরিচর্যায় ক্যাস্টর অয়েল চুলের যত্নে আমরা নানা কিছুরই ব্যবহার করে থাকি। সুস্থ ও সুন্দর চুলের প্রত্যাশা থাকে প্রত্যেকেরই। সুন্দর ও ঝলমলে চুল পেতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন ক্যাস্টর অয়েল। ক্যাস্টর অয়েলে রয়েছে ভিটামিন ই, মিনরেলস, প্রোটিন, অ্যাসেন্সিয়াল ফ্যাটি এসিড। যা চুল পড়া রোধ করার পাশাপাশি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। ক্যাস্টর অয়েল এমন একটি তেল যা প্রায় সকল হেয়ার ট্রিটমেন্টে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। চলুন জেনে নেয়া যাক চুলের পরিচর্যায় ক্যাস্টর অয়েলের ব্যবহার পদ্ধতিঃ চুলের পরিচর্যায় ক্যাস্টর অয়েল ১। এক চা চামচ মধু, দুই চা চামচ ক্যাস্টর অয়েল এবং একটি ডিম ভালোমতো মিশিয়ে চুলে ভালোমতো লাগান। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি আপনার নিষ্প্রাণ এবং রুক্ষ চুলের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে একে নরম করবে। ২।  ক্যাস্টর অয়েল, নারকেল তেল এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভালোমতো মিশিয়ে চুলে এবং স্ক্যাল্পে ভালোমতো লাগিয়ে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। ৩। ক্যাস্টর অয়েল খুব ঘন তাই এটি চুলে লাগানোর আগে রেগুলার চুলের তেল (নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, বাদাম তেল) এর সঙ্গে মিশিয়ে লাগান। স্ক্যাল্পে ভা...

জেনে নিন ঠান্ডা এবং সর্দির সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়

জেনে নিন ঠান্ডা এবং সর্দির সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়  এটা ঠান্ডা এবং সর্দি ঋতু ভিত্তিক রোগ। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে অনেকেই এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। অনেকের আবার এলার্জিগত কারণেও ঠান্ডা লেগে থেকে। কারণ যাই হোক যদিও এটি একটি সাধারণ ব্যাপার কিন্তু এটি অত্যন্ত বিরক্তিকর অসুখ। চলুন জেনে নেই সর্দি নিরাময়ের কয়েকটি পদ্ধতি। জেনে নিন ঠান্ডা এবং সর্দি সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়  – প্রচুর পরিমানে পানি পান করুণ। এটা নিজেকে জলয়োজিত, আর্দ্র এবং সংক্রমণ থেকে গুরে রাখবে। সাইনাস এর সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেও পানি পান করা আবশ্যক। – সবসময় একটি উষ্ণ পরিবেশে থাকুন। বেশি সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকলে মাথা ব্যাথা মাথাব্যাথা, ঠান্ডা এবং সর্দি হতে পারে। তাছাড়া এটি সর্দিকে জমিয়ে শক্ত করে দেয়। – ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া বাড়িয়ে দিন। কমলালেবু, স্ট্রবেরি এবং অন্যান্য সাইট্রাস জাতীয় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খান। অন্যথা, আপনি ভিটামিন সি ট্যাবলেটও গ্রহণ করতে পারেন। নিয়মিত লেবু খান। লেবুতে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি, যা ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করে। -স্যালাইন নাসাল স্প্রে ব্যাবহার করতে পারেন।...

সর্দিতে জীবন অতিষ্ট?

সর্দিতে জীবন অতিষ্ট? শীত যেন চলেই এলো। চারিদিকে ঠান্ডায় আত্রান্ত হচ্ছে মানুষ। সর্দি কাশিতে ভুগছেন আপনিও। নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝড়ছে, বার বার হাঁচি দিচ্ছেন। এসবের ভেতরেও যেহেতু সময় কাটাতে হবে জেনে নিন এই অবস্থায় একটু আরাম পেতে আপনার যা করনীয়। সর্দিতে করনীয়। ছবিঃ সংগৃহীত সবার আগে হাঁচি থেকে বাঁচার উপায় জেনে নিন। ঘন ঘন হাঁচি দেয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আদাকুঁচি চিবাতে পারেন। এছাড়াও ১/২ চামচ আদার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন পান করতে পারেন। আবার রসুনের তীব্র ঘ্রান হাঁচির জন্য মারাত্মক। তাই আদা দেয়া স্যুপ পান করার পাশাপাশি রসুনের কোয়া টিস্যুতে পেচিয়ে নাকের সামনে ধরতে পারেন। এছাড়াও- নজেল স্প্রেঃ  নাকের পানির সঙ্গে সর্দি বের হয়ে যায়, তাই পানি বন্ধ করাটা ঠিক হবে না। এজন্য সঙ্গে রাখুন নজেল স্প্রে। স্প্রে সর্দিকে পাতলা করে খুব সহজে নাক দিয়ে বের করে দিবে। ভালো ভাবে নাক ঝেড়ে নিলে অনেকক্ষণ আরাম পাওয়া যাবে। নজেল স্প্রে একনাগারে এক সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করবেন না। ভিক্স ইনহেলারঃ স্প্রে ব্যবহার না করলে ভিক্স ইনহেলার সাথে রাখুন। যখনই নাক বন্ধ ভাব অনুভূতি হবে হাল্কা করে টান দিন, নাকের ব...

পিরিয়ডে সময়ে মেজাজ খিটখিটে!

পিরিয়ডে সময়ে মেজাজ খিটখিটে! পিরিয়ডের সময় বেশ অস্বস্তিতে ভুগতে হয় মেয়েদের। এসময় আসলে মেয়েদের শরীরে হরমোনের নানারকম পরিবর্তন হয়। মেয়েদের শরীরে একটা গুরুত্বপূর্ণ হরমোন হল ইস্ট্রোজেন। এটি আমাদের মুডকে ঠিক রাখতেও সাহায্য করে। পিরিয়ড শুরু হলে শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা নেমে যায়। ফলে তখন মুড ঘন ঘন অফ হয়। মেজাজ ঠিক থাকে না। এছাড়া পেটে ব্যথা তো একটা সাধারণ সমস্যা। এসময় কোনো কাজও করতে ইচ্ছে করে না। অল্পেতেই মাথা গরম হয়ে যায়। ব্যথার সঙ্গে সামলে নিতে হয় নিজের মেজাজকেও। কারন এই সময়টায় খুব বেশি মুড সুইং (মেজাজ পরিবর্তন) করে। আশেপাশের অনেকেই আপনার এমন ঘনঘন মেজাজের হেরফের নিয়ে বিরক্ত হন। পরিস্থিতি সামলে নিতে না পেরে আপনিও বিব্রত হয়ে পড়েন। পিরিয়ডে সময়ে মেজাজ খিটখিটে! ছবিঃ সংগৃহীত পিরিয়ডের কারণে মুড সুইংয়ের সবচেয়ে পরিচিত ধরণগুলো হলো- রেগে যাওয়া, খিটখিটে আচরণ করা, বেশি কান্না পাওয়া, বার বার খাওয়ার ইচ্ছা করা,মাথা ব্যথা, মাথা ঝিমঝিম করা, বমি বমি ভাব, স্তন ফুলে যাওয়া, অল্পতেই অবসাদ অনুভব করা, বিষন্নতায় ভোগা, অস্থিরতা ও নার্ভাস হওয়া। ধূমপান, অনিয়মিত ঘুম, স্ট্রেসের মতো সমস্যা যাদের আছে, তাদের মুড সুইং ...

শাড়ি বুঝে ব্লাউজ নির্বাচন করুন

শাড়ি বুঝে ব্লাউজ নির্বাচন করুন শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ মিলিয়ে পরার ক্ষেত্রে নারীদের জুড়ি নেই। মার্কেট থেকে পছন্দের কোনো শাড়ি কেনার সময়ই ব্লাউজের চিন্তা মাথায় ঢুকে। মানানসই রঙের ব্লাউজ না হলে শাড়ির সৌন্দর্যও যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আর তাই প্রত্যেক নারীর কাছে ব্লাউজ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। যে ব্লাউজ ই পরুন না কেন সেটা যেন হয় আপনার বয়স, পরিবেশ এবং শরীরের মাপের সাথে মানানসই। তাই ব্লাউজের ক্ষেত্রে  আগে আপনার শাড়ির ধরণ বুঝে তারপরে ব্লাউজ নির্বাচনের  করুন। শাড়ি বুঝে ব্লাউজ নির্বাচন করুন। ছবিঃসংগৃহীত ১। জর্জেট, সিল্ক, মসলিনের মতো স্বচ্ছ শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ নিয়ে ভাবনাটা একটু বেশিই থাকে। এ ক্ষেত্রে বেছে নিন মখমলের ব্লাউজ। ২। মখমখ ফ্রেবিকসে এমনিতেই বেশ গর্জিয়াস লুক পাওয়া যায়। আরেকটু জমকালো চাইলে গলায় এমব্রয়ডারি নকশা হতে পারে। পেছনে বোতাম দিলে ব্যবহারে আরাম পাওয়া যাবে। পার্ল বা স্টোনের অর্নামেন্টাল বোতাম ব্যবহার করতে পারেন। ৩। একটু গাঢ় রঙের স্লিভলেস মখমল ব্লাউজ যেকোনো প্রিন্টেড শাড়ির সঙ্গে অনায়াসে মানিয়ে যাবে। ৪। একরঙা শাড়ির ক্ষেত্রে ব্লাউজের রঙের বিপরীতে যেকোনো শাড়িই...

নিত্য প্রয়োজনীয় টুকিটাকি টিপস

নিত্য প্রয়োজনীয় টুকিটাকি টিপস নিত্য প্রয়োজনীয় টুকিটাকি টিপস ১। বাচ্চাদের জামাকাপড় বা কাঁথায় যদি তার বমির দুর্গন্ধ থেকে যায়, তবে কাচার পর জলে আধ চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে তাতে জামাকাপড় ডুবিয়ে নেবেন। দুর্গন্ধ দূর হবে। ২। জানালা, দরজার কাঁচ ঝকঝকে করে তুলতে মিহি চক গুঁড়োর সঙ্গে জল আর স্পিরিট অথবা কেরোসিন মিশিয়ে কিছুক্ষণ কাঁচের ওপর মাখিয়ে নিন, শুকিয়ে গেলে খবরের কাগজ দিয়ে মুছে ফেলুন। ৩। চিনির পাত্রের মধ্যে দু-চারটি লবঙ্গ দিয়ে রাখলে পিঁপড়ে ঢুকবে না। ৪। চশমা ঝকঝকে পরিষ্কার রাখতে হলে এক ফোঁটা ভিনিগার দিয়ে কাঁচ পালিশ করুন। ৫। কাঠের আসবাবপত্র ঠাণ্ডা চা-পাতা ফোটানো জল দিয়ে পালিশ করুন। ঝকঝকে হয়ে উঠবে। ফ্রিজের গায়ে দাগ ধরে গেলে স্পঞ্জে টুথপেস্ট লাগিয়ে ঘষুন। দাগ উঠে যাবে। ৬। ছানা কাটানোর জন্য লেবুর রসের বদলে ফুটন্ত দুধে ১ চামচ দই ফেলে দিন। ছানা নরম হবে। ৭। চালের গুঁড়োর পিঠে করলে সাধারণত শক্ত হয়। পিঠে করার আগে যদি চালের গুঁড়োতে কিছুটা খই মাখিয়ে নেওয়া হয় তবে পিঠে নরম হয় এবং খেতেও ভাল লাগে। ৮। গরু বা মোষের দুধ ঠিক সময় মতো গরম না করলে দুধ কেটে যাবার ভয় থাকে। দুধের মধ্যে দু-ফোঁটা সরষে...

সহজেই দূর করুন বগলের কালো দাগ

সহজেই দূর করুন বগলের কালো দাগ আন্ডারআর্ম বা বগলের কালো দাগ অনেকের জীবনের খুব বিরক্তিকর সমস্যা। সাধারণত মরা কোষ জমে বগলের নিচের অংশ কালো হয়ে যায়। পোশাকের ঘর্ষণ থেকে শুরু করে লোম পরিষ্কার, নানা কারণে হয় কালো দাগ। এছাড়া বংশগত কারণে, অতিরিক্ত ডিওডোরেন্ট ও বডি স্প্রে ব্যবহারের কারণে, ডায়াবেটিস এর কারণে কিংবা হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়ার কারনে ও মুখোমুখি হতে হয় এই সমস্যার। নানান ক্রিম ব্যবহার করে এই দাগ সাময়িক ভাবে দূর করা যায়, কিন্তু আমাদেরই ভুলে সেটা আবার ফিরে আসে। যেহেতু এসব অঙ্গের যত্ন নিয়ে কেউ পার্লারে যেতে চান না এবং এখানে সব ধরণের পণ্য ব্যবহার করা যায় না, তাই জেনে নিন কিছু ঘরোয়া উপায়। যেগুলো কেবল আপনার বগলের কালো দাগ দূর করবেই না বরং দাগ সরিয়ে সবসময় বগলকে ফর্সা ও সুন্দর রাখবে খুব সহজে। সহজেই দূর করুন বগলের কালো দাগ ১। আন্ডারআর্ম এর ত্বকের মৃত কোষ জমা হয়ে সেই অংশ কালো হয়। এজন্য এই মরা কোষগুলো দূর করা প্রয়োজন ।এই মরা কোষ দূর করার জন্য আপনি স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। তবে স্ক্রাবটি যেন ল্যাকটিক এসিড সমৃদ্ধ হয়। ২। বগলের কালো দাগের উপর সরাসরি লেবু ঘষুন। ১০ মিনিট...

সর্দিতে করণীয়

সর্দিতে করণীয় গরম কমে যাওয়া, বৃষ্টি সাথে নিন্মচাপের কারন বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন ধরনের ভাইরাল অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে সবাই। বিশেষ করে সর্দির রোগীর দেখা মিলছে প্রতিটি পরিবারে। তাই যদি নিজের একটু খেয়াল রাখতে পারেন, তাহলে পরবর্তী রোগের ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যায়। বিশেষ করে খাবারের ব্যাপারে একটু সতর্কতা অবলম্বন করলেই রোগ প্রতিরোধ করা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। সর্দিতে করনীয় *মৌসুমি ফলমূল সর্দিকাশি প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর। অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি ভিটামিন সি জাতীয় ফল খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন। *খাদ্যতালিকায় রাখুন বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার। যেমন – অ্যাপ্রিকট, গাজর, ব্রকোলি ইত্যাদি। কারণ বিটা-ক্যারোটিন নাক ও ফুসফুসে সর্দি জমতে দেয় না। *ফ্লু বা ভাইরাল ফিভার হলে পথ্য হিসেবে চিকেন স্যুপ খুব কাজে দেয়। সর্দি হলে রুচিও চলে যায়। এসময় গরম গরম চিকেন স্যুপ যেমন খেতে ভালো লাগবে তেমনি জমে থাকা সর্দিও সরিয়ে দিতে সাহায্য করবে। *সর্দির সাথে যদি কাশি হয় তাহলে তুলসী ও আদার রস খুব উপকারে দেয়। ফুটন্ত পানিতে তুলসী পাতা ও আদা দিয়ে ভালো করে ফোটান। ঈষদুষ্ণ এই মিশ্রণ খুশখুশে কাশি দূর...

ত্বকের দাগ দূর করার অসাধারণ একটি ফেসিয়াল মাস্ক

ত্বকের দাগ দূর করার অসাধারণ একটি ফেসিয়াল মাস্ক উজ্জ্বল ও কমনীয় ত্বক সকলেরই কাম্য। প্রাকৃতিক উপায়েই ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করা যায়। তার জন্য দরকার শুধু স্বাস্থ্যবিধির নিয়োম মেনে চলা ও উপযুক্ত উপকরণ ব্যবহার করা। আসুন তবে দেখে নেই কিভাবে ত্বকের দাগ দূর করে পেতে পারেন উজ্জ্বল ত্বক। ত্বকের দাগ দূর করার ফেসিয়াল মাস্ক। ছবিঃসংগৃহীত একটি মাঝারি আকারের পাকা টমেটো ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। একটি পাত্রে ব্লেন্ড করা টমেটো ঢেলে নিয়ে এতে ২/৩ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে একটি ঘন পেস্টের মত তৈরি করুন। এই পেস্টটি পুরো মুখে লাগান ভালো করে। ১৫-২০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে আলতো ঘষে তুলে ফেলুন। ত্বকের যে কোন দাগ দূর করতে এই মাস্কটির জুড়ি নেই। এছাড়াও এই পেস্টটি কাটা দাগ হালকা করতে বেশ কার্যকর। এছাড়াও যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে তারা ২ টেবিল চামচ মধু ও ২ টেবিল চামচ টক দই ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

কাঁচামরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা

কাঁচামরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা যাদের ভাতের সাথে একটি কাঁচা মরিচ না খেলে চলেই না তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে কাঁচামরিচ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কাঁচামরিচ সাধারণত কাঁচা, রান্না কিংবা বিভিন্ন ভাজিতে দিয়ে খাওয়া হয়। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট। ঝাল স্বাদের সবজি গুলোতে থাকে বিটা ক্যারোটিন ও আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্রিপ্টোক্সানথিন ও লুটেইন জিয়াক্সানথিন ইত্যাদি উপাদান। এই উপাদান গুলো মুখে লালা আনে ফলে খেতে মজা লাগে। এছাড়াও এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। জেনে নিন কাঁচামরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো ।  কাঁচামরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা ১।  গ্রীষ্মকালে মসলা জাতীয় খাবারের সাথে কাঁচা মরিচ খেলে তা ঘামের সাথে বেরিয়ে যায়, ফলে শরীর ঠান্ডা থাকে। ২। প্রতিদিন একটি করে কাঁচামরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায় এবং হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়। ৩। সবুজ কাঁচামরিচে যেই পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে তা আমাদের ত্বকের ব্রন সমস্যা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৪। কাঁচামরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে ক্...

ত্বকের কালো দাগ দূর করতে ব্যবহার করুন লেবু

ত্বকের কালো দাগ দূর করতে ব্যবহার করুন লেবু রোদে পোড়া, ব্রনসহ বিভিন্ন কারনে মুখে কালো ছোপ ছোপ দাগ পরে যায়। সেক্ষেত্রে সহজ সমাধান হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন লেবু। যা প্রাকৃতিক, দামে ও সস্তা আবার হাতের কাছেই পাওয়া যায়।লেবু প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসাবে কাজ করে। তবে লেবু এই রূপচর্চাটি কেবল রাতের বেলায় করতে হবে এই কারণে যে সূর্যের আলো আপনার ত্বকে রিঅ্যাকশন করতে পারে। রাতের বেলায় রূপচর্চাটি করলে সূর্যের আলো বা গরমে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই এবং ত্বক সম্পূর্ণ ৮-১০ ঘণ্টা পাচ্ছে দাগ দূর করার জন্য। মুখের কালো দাগ দূর করতে ব্যবহার করুন লেবু * মুখ খুব ভালো করে পরিষ্কার করে মুছে নিন। যদি স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত ত্বক হয়, তাহলে তাজা পাকা লেবুর রস (যে লেবু পেকে হলদে হয়ে গেছে, অর্থাৎ লেমন) সরাসরি মুখের কালো দাগে লাগিয়ে নিন। লেবুর রসের সাথে সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন। তারপর শুকিয়ে লেবুর রস মুখে নিয়েই ঘুমিয়ে যান। স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত ত্বকে কোন সমস্যা হবে না। সকালে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ মুছে নিন। * যদি শুষ্ক বা সেনসিটিভ ত্বক হয়, তাহলে পাকা লেবুর রসের সাথে মুলতানি মাটি ও মধু মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ ...

শীতের শুষ্কতার জন্য আপনার ত্বক প্রস্তুতি তো?

শীতের শুষ্কতার জন্য আপনার ত্বক প্রস্তুতি তো? এই বৃষ্টিবাদল আর ঠান্ডা-গরমের নিত্য পালাবদল খেলার মাঝেই  ধীর পায়ে এগিয়ে আসছে শীতকাল, সঙ্গে আসছে শুষ্ক ত্বকের বিড়ম্বনা সাথে  ত্বকের নানাবিধ সমস্যা ।  সকালবেলা ঠোঁট তখন বেশিই শুকনো লাগতে থাকবে। রাতে শোবার আগে নজরে আসবে, অনেকটাই খসখসে লাগছে হাত-পা। শীতের রুক্ষতা ত্বকে ছাপ ফেলে যাবে আর তারপর যত্ন করবেন, বড্ড ঝামেলা হয়ে যায় তখন। তাই এখন থেকেই শুরু হোক ত্বকের বাড়তি যত্ন। এতে শীতের শুষ্কতা কমিয়ে ত্বককে করবে মসৃণ এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।  শীতের আগে ত্বক কোমল এবং সুন্দর রাখার জন্য রইল কিছু টিপসঃ শীতের আগে ত্বকের প্রস্তুতি ক্রিমজাতীয় প্রসাধনীর ব্যবহারঃ  জেলজাতীয় ফেইস ওয়াশ, ক্রিমগুলো তুলে রেখে দিয়ে ক্রিমজাতীয় প্রসাধনী ব্যবহার শুরু করতে হবে। ক্রিমজাতীয় প্রসাধনী সাধারণত তৈলাক্ত হয়। এটি ত্বকের উপর সুরক্ষা কবচ তৈরি করে যা শীতের দিনগুলোতে অনেকক্ষণ পর্যন্ত ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে। ময়েশ্চারকে ভুলবেন নাঃ  ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা, ত্বকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগানো আর খাদ্যাভ্যাস সঠিক রাখা, প্রাণবন্ত ত্বক পাওয়ার এগুলোই মূলকথা। বিশ...

পনিরের তরকারি

পনিরের তরকারি  পনিরের তরকারি উপকরণঃ  পনির, আলু, পেঁপে, গাজর, পটোল, তেজপাতা, কালোজিরা, কাঁচামরিচ, নারকেল, সামান্য হলুদগুড়া, চিনি, তেল, লবন। প্রণালিঃ  সবজিগুলো ধুয়ে বড় বড় করে কেটে হলুদগুড়া ও লবনসহ কড়াইতে দিয়ে অল্প তেলে হাল্কা ভেজে নিন। এরপর পনিরের টুকরা ছোট ছোট করে কেটে তেলে ভেজে নিতে হবে। এগুলো আলাদা বাটিতে উঠিয়ে রেখে কড়াইয়ে তেল ও ঘি একসঙ্গে দিয়ে তেজপাতা, সামান্য কালোজিরা, কাঁচামরিচ দিয়ে ফোড়ন দিন। এরপরে আগে থেকেই নারকেল বাটা দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। কষানো শেষে পনিরের টুকরাসহ সব উপকরণ কড়াইয়ের মধ্যে ঢেলে দিন। কিছুক্ষন রান্না করুন। তৈরি হয়ে গেল পনিরের তরকারি।

মজাদার আলু তরকারি

মজাদার আলু তরকারি সকালের রুটি কিংবা বিকেলের নাস্তায় লুচি দিয়ে খেতে দ্রুত বানিয়ে নিতে পারেন মজাদার আলু তরকারির রেসিপিটি। চাইলে গরম ভাতের সাথে ও খেতে পারেন। উপকরণঃ  সিদ্ধ আলু ৬ টি,সিদ্ধ টমেটো  ৪ টি,কাঁচামরিচ ৫ টি, পেয়াজকুচি ২টি, আদাবাটা ১ চা চামচ,ধনেগুড়া ১/২চা চামচ,তেজপাতা ২ টি,গরম মশলা ১ চামচ ,হলুদ গুড়া ১/২ চা চামচ,জিরা গুড়া ১/২ চা চামচ, মরিচগুড়া ১/২ চা চামচ,ধনেপাতা কুঁচি  ৩ টেবিল চামচ,আস্ত ধনে ও সরষে  ১ চা চামচ, তেল, লবণ পরিমানমত। মজাদার আলু তরকারি প্রণালিঃ  সিদ্ধ টমেটো পেস্ট করে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে তাতে আস্ত ধনে ও সরষে দিয়ে ফোড়ন দিন। তারপরে পেঁয়াজ দিয়ে একটু ভেজে আদাবাটা, সব গুড়ামশলা আর সামান্য পানি দিয়ে কষিয়ে নিন। মশলা কষান হলে টমেটো পেস্ট দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করুন। আলু কিউব করে কেটে সামান্য পানি দিয়ে ঢেকে দিন। টমেটো গ্রেভি ফুটে উঠলে ধনেপাতা দিয়ে অল্প ঝোল থাকতে নামিয়ে নিন।

অন্তর্বাসই বলে দেবে আপনার ব্যক্তিত্বের পরিচয়!

অন্তর্বাসই বলে দেবে আপনার ব্যক্তিত্বের পরিচয়! বাইরের থেকে দেখে তো বোঝার উপায় নেই নারীরা ভেতরে কেমন অন্তর্বাস পরেছেন কিন্তু ভেতরের অর্ন্তবাস দেখেই বলে দেয়া যাবে এর বাইরের নারীটি কেমন। কারণ ভিতরের পোশাকেই লুকিয়ে আছে রহস্য। বাইরে নারীরা যাই পরুন না কেন, পোশাকের নীচে লুকিয়ে থাকা অন্তর্বাসের মধ্যে দিয়েও নারীর ব্যক্তিত্বের পরিচয় পাওয়া যায়। জেনে নিন আপনার অন্তর্বাসের সাথে ব্যক্তিত্বের কেমন মিল! অন্তর্বাসই বলে দেবে আপনার ব্যক্তিত্বের পরিচয়! ছবিঃ সংগৃহীত বক্সারঃ  বক্সার অন্তর্বাস যাঁর পছন্দ, তিনি খুব প্রফেশনাল। যে সমস্ত নারী বক্সর পড়েন সেক্সে তাঁদের বেশি আগ্রহ থাকে না। সাধারণত এরা সৎ হয়ে থাকেন এবং খুব কম লোকের সঙ্গে এদের মেলামেশা থাকে। থংঃ থং পছন্দ যে নারীর, সে নারী নিজের প্রত্যেকটি ব্যাপারে খুব সচেতন। এরা জানে কোন পোশাকে তাকে বেশি মানায়। উগ্রতা এদের স্বভাবে নেই। এরা জানে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে কোন ধরনের অন্তর্বাসে তাঁকে মানাবে। গার্টার বেল্টঃ খুব ওয়াইল্ড অন্তর্বাস এটি। যে নারী সেটি পরতে পছন্দ করেন, তিনিও নিঃসন্দেহে ওয়াইল্ড। গার্টার বেল্ট পরিহিতা নারীকে অধিকাংশ পুরুষই মনে মনে ক...

বৃষ্টিতেও ভালো থাকুক আপনার পা

বৃষ্টিতেও ভালো থাকুক আপনার পা  সারাদিন কাজকর্ম করা কিংবা বাইরে যাওয়ার পরে আমরা নিজেরা যেমন ক্লান্ত হই সেই সাথে আমাদের ভার বয়ে বেড়ানো পা দুটো কিন্তু আরো বেশি ক্লান্ত থাকে। তার ওপর এই স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া, এই রোদ, তো এই বৃষ্টি, কাদা-পানিতে মাখামাখি হয়ে পায়ের অবস্থা হয়ে পড়ে আরও নাজুক। বৃষ্টির এই স্যাঁতস্যাঁতে সময়টাতে পা ভিজে যাওয়া এবং ময়লা কাদা পানির জন্য হতে পারে ফাঙ্গাল ইনফেকশন, চুলকানি, পায়ের দুর্গন্ধ ও কালো ছোপ ছোপ দাগ। তাই বৃষ্টিতেও পায়ের যত্নে জেনে নিন কিছু টিপস। বৃষ্টিতেও ভালো থাকুক আপনার পা। ছবিঃ সংগৃহীত ১। বর্ষা, বৃষ্টিতে পায়ের নখ যত ছোট রাখা যায় ততই ভালো, নয়তো নখের নিচের জমে থাকা ময়লা প্রচুর ভোগান্তি কারন হয়ে দাঁড়াতে পারে। ২। বৃষ্টিতে বাইরে থেকে ফিরে একটি পাত্রে হালকা গরম পানি নিয়ে তাতে অল্প পরিমাণে স্যাভলন বা ডেটল মিশিয়ে পা ডুবিয়ে হালকা হাতে লুফা দিয়ে পরিষ্কার করে সাবান দিয়ে পা ধুয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলুন। ৩। এসময় প্রতিদিন গোসলের সময় লুফা দিয়ে  পা  ঘষে পরিষ্কার করা উচিত। যদি হাতে সময় থাকে তবে ১০ মিনিটের জন্য শাওয়ার জেল অথবা শ্যাম্পু গোলা পানিতে পা ভ...

প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা খেজুর মরুঅঞ্চলের খুবই পুষ্টিকর একটি ফল। পুষ্টিমানে যেমন এটি সমৃদ্ধ, তেমনি অসাধারণ এর ঔষধিগুণ। অনেকে মনে করে শুধু রোজাতেই মনে হয় খেজুর খেতে হয়। কিন্তু  সারা বছর খেজুর খাওয়া স্বাস্থের জন্য খুবই উপকারী। অসাধারণ পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খেজুর আমাদের শারীরিক নানা সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। মিষ্টি স্বাদের এ ফলটিতে ফ্যাটের পরিমাণ কম বলে এটি কোলেস্টেরল কমায়। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা সুস্বাদু এই মরু ফলটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, খনিজ এবং প্রোটিন, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫ ও ভিটামিন এ। প্রাকৃতিক গ্লুকোজ, সুক্রোজ ও ফ্রুক্টোজ রয়েছে বলে এটি এনার্জি বুস্টার হিসেবে পরিচিত।  দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার এবং বিভিন্ন প্রকার অ্যামিনো এসিড থাকায় খেজুর হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। লোহার উৎকৃষ্ট উৎস বলে যাদের অ্যানিমিয়া রয়েছে তারা নিয়মিত খেজুর খান। ফ্লোরিন সমৃদ্ধ খেজুর দাঁতের ক্ষয়রোধে সহায়ক। প্রতিদিন ৩টি আরো অনেক ধরণের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন নিমিষে। এখানেই শেষ নয়, খেজুরের আরও অনেক উপকারিতা আছ...

পায়ের নখের ফাঙ্গাস দূর করার টিপস

পায়ের নখের ফাঙ্গাস (ছত্রাক ) দূর করার টিপস যদি আপনার পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের নখটি স্বাভাবিকের চেয়ে মোটা হয়ে যায়, নখ কাটতে অসুবিধা হয়, হলুদ বা বাদামী বর্ণ ধারণ করে, নখটি শুষ্ক যার এবং খুব সহজেই ভেঙ্গে যায় তাহলে বুঝতে হবে যে ফাঙ্গাস বা ছত্রাকের আক্রমণে আপনার নখের এই অবস্থা হয়েছে। এর কারণে অনেকসময় নখের গোঁড়াও আক্রান্ত হয় এবং ব্যাথা ও প্রদাহ সৃষ্টি করে। নখ ফাঙ্গাস দ্বারা আক্রান্ত হলে দেখতে বিশ্রী লাগে এবং সারিয়ে তোলাও বেশ কঠিন। ত্বকের অস্বাভাবিক পি এইচ লেভেল, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, ঘর্মাক্ত মোজা ও জুতা, স্বাস্থ্যবিধি না মানা এবং ডায়াবেটিস এর কারণে নখের এই রোগ হয়ে থাকে। যথা সময়ে এর নিরাময়ের ব্যবস্থা করা না হলে নখটি ভেঙ্গে যেতে পারে এমনকি সম্পূর্ণ নখটি পরে যেতে পারে । তবে  এই সমস্যা থেকে ১-২ মাসের মধ্যে মুক্তি লাভ করা সম্ভব সহজ কিছু ঘরোয়া উপায়ে । আসুন জেনে নেই সেই ঘরোয়া উপায় গুলো। পায়ের নখের ফাঙ্গাস দূর করার টিপস। ছবিঃ সংগৃহীত নারিকেল তেলঃ ফ্যাটি এসিড খুব ভালো ছত্রাক নাশক। নারিকেল তেলে প্রচুর ফ্যাটি এসিড আছে যা ছত্রাকের দেহের লিপিড স্তরে প্রবেশ করে ভেতর থেকে ছত...

হাত ও পায়ের যত্নের কিছু টিপস

হাত ও পায়ের যত্নের কিছু টিপস আমদের হাত ও পা উন্মুক্ত থাকার ফলে গরম ও রোদের সংস্পর্শে বেশি আসে, ধুলো বালিতে ময়লা নোংরা হয় বেশি। নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলে হাত, পায়ের ত্বক হয়ে যায় রুক্ষ, শুষ্ক। আয়োজন করে হয়তো যত্ন নেয়াও হয়না। কিন্তু আপনার হাত, পায়ের পরিচ্ছন্নতা কিন্তু আপনার রূপচর্চার ধরণের অনেকখানি প্রকাশ করে। তাই হাত ও পায়ের ত্বককে নরম কোমল আর রোদে পোড়া ছোপ ছোপ কালো দাগ দূর করতে জেনে নিন দারুন কিছু টিপস। হাত ও পায়ের যত্নের কিছু টিপস। ছবিঃ সংগৃহীত ১। মোটা দানার চিনি ও লেবুর রস একসাথে করে পেস্ট বানিয়ে দুই হাতে ঘষুন ১৫ মিনিট। তারপর হাত ধুয়ে ফেলুন। ময়লা সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। ২। অলিভ অয়েল ও মোটা দানার চিনি একত্রে মিশিয়ে পেস্ট করে হাতে ঘষুন ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ৩। একটি ছোট গামলায় পানির সাথে লেবুর রস মিশিয়ে নিন তারপর পা কিছুক্ষন ভিজিয়ে রাখুন। এতে করে আপনার সানবার্ন ও পায়ের গন্ধও দূর হবে। ৪। লেবুর খোসা আপনি আপনার পায়ে ঘষতে পারেন, ময়লা দূর হবে পা-ও পরিষ্কার হবে। ৫। নারকেল তেল আর লবণ নিয়ে মিশিয়ে হাত ও পায়ের ত্বকে ম্যাসাজ করে লাগান। আপনি চাইলে এর মধ্যে লেবুর...

ঘরেই বসেই করুন নখের যত্ন

ঘরেই বসেই করুন নখের যত্ন আমাদের হাত ও পায়ের সৌন্দর্যের এক অন্যতম অংশ নখ। হাত বা পায়ের দিকে তাকালে প্রথমে সবার চোখ পড়ে নখের দিকে। সুন্দর নখ হাতকে যেমন আকর্ষনীয় করে তেমনি পা’কে করে মনকাড়া। পরিচ্ছন্ন নখ শুধু হাত-পায়ের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না। একইসঙ্গে এটি ব্যক্তিত্বও তুলে ধরে। ঝাঁ তকতকে, ঝকঝকে, আকর্ষনীয়, সুন্দর নখ কার না পছন্দ। নারীদের জন্য হাতের নখের সৌন্দর্য রক্ষা করা একটু কঠিন। নখ সুন্দর রাখতে পানির ব্যবহার যত কম করা যায় ততই ভাল। কিন্তু নারীদের প্রায় সব কাজেই পানির ছোঁয়া আছে। একটু ইচ্ছা এবং সচেতন থাকলেই সম্ভব নখের যত্ন নেওয়া। সময় কিংবা অর্থের কারণে যারা পার্লারে গিয়ে নখের পরিচর্চা করতে পারেন না তারা ঘরে বসেই নিতে পারেন যত্ন। তাই আসুন জেনে নেই নখের যত্নের কিছু করণীয়। ঘরে বসেই করুন নখের যত্ন ১।  নখের যত্ন নেয়ার আগে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করতে হবে। যেমন- নেইল কাটার, নেইল ফাইল, নেইল হার্ডনার, অলিভ অয়েল, ব্রাশ, হ্যান্ডক্রিম, বাফার, সল্ট, স্যাভলন, লেবু ও হালকা গরম পানি। ২।  একটি পাত্রে উষ্ণ গরম পানি নিয়ে তাতে শ্যাম্পু, লেবু, সল্ট, স্যাভলন মিশিয়ে, নখগুলি ১৫ থেকে ২০ ম...

তুলে রাখা কাপড়ের যত্ন নেয়ার উপযুক্ত সময় এখনি

তুলে রাখা কাপড়ের যত্ন নেয়ার উপযুক্ত সময় এখনি  বর্ষার শেষ এবং শীতের আগে এখনই উপযুক্ত সময় ঘরে তুলে রাখা কাপড় চোপড়ের দিকে নজর দেয়ার। বর্ষাকালে সাধারণত সংরক্ষিত কাপড়চোপড় স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়ে আর আলমারিতে রাখা কাপড়ে ফাঙ্গাস পড়ে। তাছাড়া আদ্র আবহাওয়ায় বাক্সে তুলে রাখা কাপড় গুলোও ছত্রাকের আক্রমনে পড়ে হারাতে পারে ঔজ্জ্বল্য আর স্থায়ীত্ব। সঠিক যত্নের অভাবে নষ্টও হয়ে যেতে পারে আপনার ঈদ কিংবা বিয়ে বাড়িতে যাওয়ার দামি জামা কাপড়গুলো। বর্ষার মাঝে যেমন কাপড়ের যত্ন নেয়া সম্ভব হয়না তেমনি শীতের মৃদু তাপের হালকা রোদেও তা সম্ভব হয় না। তাই ভেজা মৌসুমে কাপড়ের বাড়তি যত্ন নিতে কেউ ভুলবেন না তাই তুলে রাখা পছন্দের এবং প্রয়োজনীয় কাপড়ের উপযুক্ত যত্নের সময় এখনই। তুলে রাখা কাপড়ের যত্ন নেয়ার উপযুক্ত সময় এখনি। ছবিঃ সংগৃহীত ১। আলমারিতে তুলে রাখা কাপড়ের যত্ন নিশ্চিত করতে অবশ্যই কড়া রোদে শুকিয়ে নিন। কাপড়ের ভাঁজ খুলে পুরো কাপড়ে রোদ লাগাতে পারলে ছত্রাক বা পোক মাকড়ের উপদ্রব কমবে। ২।  যদি আলমারিতে রাখা কাপড়ে ছাতা বা ফাঙ্গাস পড়েই যায়, তবে সঙ্গে সঙ্গে তা ধুয়ে ফেলুন। শুধু ধুলেই হবে না, শুকানোর ...

জেনে নিন অন্তর্বাস (ব্রা) সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

জেনে নিন অন্তর্বাস (ব্রা) সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নারীর দৈনন্দিন জীবনের পোশাকগুলোর মাঝে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে অন্তর্বাস (ব্রা)। এটা এমন এক পোশাক, যেটা প্রত্যেক নারী প্রতিদিনই ব্যবহার করেন। শুধু সৌন্দর্য নয়, নারীর স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও একটি বড় বিষয় এই ব্রা। তারপরে ও নিয়মিত ব্রা পরিধানের ক্ষেত্রে দেখা যায় বিভিন্ন ভুলভ্রান্তি। যেমন সঠিক মাপের ব্রা পরছেন তো? কীভাবে বুঝবেন এটাই সঠিক ও স্বাস্থ্যসম্মত ব্রা আপনার জন্য? কেন নিজের ব্রাগুলোকে করতে হবে বিশেষ যত্ন? আর কেনই বা এই পোশাকটি সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরী?  তাই চলুন জেনে নেয়া যাক অন্তর্বাস (ব্রা) পরিধানের গুরুত্বপূর্ণ  কিছু  তথ্য। জেনে নিন অন্তর্বাস (ব্রা) সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য * অন্তর্বাস যেটাই হোক না কেন, সেটা ব্যবহার করবেন সঠিক সাইজের। এমনকি গেঞ্জিটাও খুব বেশী ঢিলেঢালা বা টাইট ব্যবহার করবেন না। ভুল মাপের অন্তর্বাস পরিধান করলে যে উদ্দেশ্য আপনি অন্তর্বাস পরেন, সেটিই পূরণ হয় না। * এমন দোকান থেকে অন্তর্বাস বা ব্রা কিনতে যাবেন না যেখানে বিভিন্ন ধরনের সরবরাহ কম। ছোট সাইজ যেমন ২৮ বা ...

আমলকির বিভিন্ন গুনাগুন

আমলকির বিভিন্ন গুনাগুন আমলকি একপ্রকার ভেষজ ফল। আমলকি আমাদের দেশের শ্রেষ্ঠ ফলগুলোর মধ্যে একটি। আমলকি খেলে অনেক রোগের হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় বা অনেক রোগ সেরে যায়। এ ফলের গুণাগুণ অমৃত সমান, তাই একে অমৃতফল বলা হয়ে থাকে। আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকায় একে ভিটামিন ‘সি’র রাজা বলা হয়। লেবু জাতীয় অন্য কোনো ফলে এত ভিটামিন ‘সি’ নেই। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। একজন বয়স্ক লোকের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ দরকার। দিনে দুটো আমলকি খেলে এ পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায়। আমলকির বিভিন্ন গুনাগুন এটি দামে যেমন সস্তা ও সহজলভ্য, তেমনি এর রয়েছে নানাবিধ উপকারিতা। চলুক জেনে নেয়া যাক মৌসুমী এই ফলটি আমাদের কি কি উপকার করে থাকে। * শরীরে ভিটামিন সি এর ঘাটতি মেটাতে আমলকির জুড়ি নেই। ভিটামিন সি এর অভাবে যেসব রোগ হয়, যেমন – স্কার্ভি, মেয়েদের লিউকরিয়া, অর্শ প্রভৃতি ক্ষেত্রে আমলকি খেলে উপকার প...

প্রাকৃতিক উপায়ে চোখের পাপড়ি ঘন ও লম্বা করুন

প্রাকৃতিক উপায়ে চোখের পাপড়ি ঘন ও লম্বা করুন চোখের পাপড়ি ঘন ও একটু বড় হলে পুরো চোখের আকারই বদলে যায়। আমরা কেউ কেউ মেকআপের মাধ্যমে চোখের পাপড়ি বড় করে থাকি। আবার কেউ কেউ মোটা করে মাশকারা ব্যবহার করি। অনেকে আবার ফলস আইল্যাশ লাগিয়ে নেন। ঘরোয়া কিছু প্রাকৃতিক এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিহীন উপায়ে খুব সহজেই চোখের পাপড়ির আকার বড় ও ঘন করে নেওয়া সম্ভব। ব্যাপারটি একেবারেই কঠিন কিছু না। আসুন তাহলে জেনে নেই কিভাবে চোখের পাপড়ি বড় ও ঘন করবেন প্রাকৃতিক উপায়ে। প্রাকৃতিক উপায়ে চোখের পাপড়ি ঘন ও লম্বা করুন তেলঃ চোখের পাপড়ি ঘন করতে কয়েক প্রকারের তেল (অলিভ অয়েল, ক্যাস্টার অয়েল,নারকেল তেল) একসাথে মিশিয়ে প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে কটন বাড বা পরিষ্কার মাশকারার ব্রাশের সাহায্যে পাপড়িতে লাগিয়ে নিন। শুধু ক্যাস্টার অয়েল ও লাগাতে পারেন। ভ্যাসলিনঃ পাপড়ি ঘন করে তুলতে ভ্যাসলিন কিন্তু বেশ উপকারি। ঘুমানোর আগে হাতের আঙুলে ভ্যাসলিন নিয়ে পাপড়িতে হাল্কা করে লাগিয়ে নিন। এতে করে দ্রুত পাপড়ি ঘন ও বড় হবে। ভিটামিন ই ক্যাপসুলঃ ভ্যাসলিন বা অনিভ অয়েলের সাথে দুটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে পরিস্কার কিছুতে রেখে দিন। প্রতিরাতে ঘ...

অনেক নারীরই রয়েছে বক্ষবন্ধনী (ব্রা) নিয়ে কিছু ভুল ধারণা!

অনেক নারীরই রয়েছে বক্ষবন্ধনী (ব্রা) নিয়ে কিছু ভুল ধারণা! নারীদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পোশাকের মদ্ধে অন্যতম হচ্ছে বক্ষবন্ধনী বা ব্রা। আকর্ষণীয় ও সঠিক মাপের ব্রা সবাই পছন্দ করে। কেননা ভুল মাপের ব্রা নারীদের সৌন্দর্য কমিয়ে দেয় শুধু তাই নয়, এটা শরীরের জন্যও ক্ষতিকর। তবে ব্রা বিষয়ে নারীদের মাঝে বহু ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এই ধারণাগুলো মাথায় নিয়ে ব্রা ব্যবহারে নানা নিয়ম পালন করতে দেখা যায় নারীদের। ভুল ধারণার কারণে ব্রা ব্যবহারে নারীরা স্বাস্থ্য বিষয়ক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে থাকেন। তাহলে জেনে নেয়া যাক, ব্রা বিষয়ক কিছু প্রচলিত ভুল ধারণার কথা যেগুলা শুধুই গুজব ছাড়া আর কিছুই নয়। ব্রা নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা। ১। নিয়মিত ব্রা পড়লে স্তন ক্যান্সার হয়ঃ   নব্বইয়ের দশকে একটি ভুল ধারণা ছড়িয়ে পড়ে যে, ব্রা স্তন ক্যান্সার ঘটায়। টাইট ব্রা পড়ে থাকলে তা বিষাক্ত উপাদানকে আটকে রাখে এবং ক্যান্সার সৃষ্টি করে। তবে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি জানিয়েছে, এ গবেষণায় বিষয়টি সঠিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। তাই ব্রা পড়লে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে, এমন কোনো প্রমাণ নেই। ২। ব্রা পরে ঘুমালে স্তনের আকার আকার আকর্ষণীয় হয়ঃ...

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন

সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি (ব্রা)-র সাইজ পরিমাপ করুন বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,আমাদের দেশের  ৮৫% নারী ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী/ব্রা ব্যবহার করেন! তারা হয়তো পিছনের অংশ খুব বড় এবং কাপ (সামনের অংশ) খুব ছোট সাইজের পরছেন। মজার বিষয় হলো অনেকেই নিজের ব্রার সঠিক মাপ জানেন নাএবং  সঠিক মাপের ব্রা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা পরিধান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ছবির সাথে মিলিয়ে নিজের সাইজ নিজেই বের করতে পারেন। সঠিকভাবে বক্ষবন্ধনি/ব্রা সাইজ পরিমাপ # প্রথম ধাপ- ব্যান্ড / বন্ধনী (ঘের)সাইজ এর মাপ নিনঃ একটি ইঞ্চি টেপ (কাপড় মাপার ফিতা) নিয়ে প্রথমে স্তনের ঠিক নিচেই আলতো ভাবে ফিতা ধরুন। নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। ফিতা ও শরীরের মাঝে এক আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে পুরো ঘেরের মাপ নিন। ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮ যাই হোক যদি আপনার মাপটি বেজোড় সংখ্যায় আসে তবে ৫ ইঞ্চি যোগ করুন, আর জোড়সংখ্যায় আসলে ৪ ইঞ্চি যোগ করুন। আর এটাই হবে আপনার প্রকৃত ব্যান্ড (ঘের) সাইজ। দশমিক সংখ্যা এলে তা...