সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শীতের সময় ত্বকের যত্ন

শীতের সময় ত্বকের যত্ন চলছে শীত মৌসুম। শুষ্ক আবহাওয়ায় শুষ্ক হয়ে উঠছে মানুষের ত্বক। শুষ্কতার পরিমাণ বেড়ে গেলে তা ত্বকে সৃষ্টি করে নানা সমস্যা। সৌন্দর্যেরও হানি ঘটে ব্যাপক। তাই এইসময়ে ত্বকের বেশি পরিচর্যার প্রয়োজন পড়ে। শীতে ত্বকের শুষ্কতা মারাত্মক রূপ নেয়ার আগে কিছুটা যত্ন নিলেই ত্বককে কোমল, সজীব করা সম্ভব। শীতের ত্বকের যত্নে মেনে চলুন কিছু নিয়োম-কানুনঃ শীতের সময় ত্বকের যত্ন ১। গোসলের সময় দীর্ঘক্ষণ ধরে গোসল করবেন না কিংবা গরম পানি ব্যবহার করবেন না। এগুলো ত্বকের শুষ্কতা আরো বাড়িয়ে তোলে। গোসলের পরে ত্বকে ভেজা ভাব থাকতেই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় ময়েশ্চারাইজার মেখে ঘুমাতে যেতে পারেন। ২। গোসলে কিংবা হাত-মুখ ধুতে সাবান যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করবেন। কারণ সাবান ত্বকে শুষ্কতা সৃষ্টি করে। এ সময় সাধারণত গ্লিসারিন সমৃদ্ধ সাবান ব্যবহার করাই উত্তম। ৩। শীতে ত্বকের শুষ্কভাব দূর করতে গ্লিসারিন কিংবা অলিভ অয়েল নিয়মিত ব্যবহার করুন। গ্লিসারিন সবচেয়ে ভালো ময়েশ্চারাইজার। একভাগ গ্লিসারিনের সাথে দু'ভাগ পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন। গ্লিসারিনের আঠা-আঠা ভাব...

সকালের নাস্তায় স্বাস্থ্যকর রসুন ডিমে ভাজা ভাত

সকালের নাস্তায় স্বাস্থ্যকর রসুন ডিমে ভাজা ভাত সকালের নাস্তায় রসুন ডিমে ভাজা ভাত উপকরণঃ  ভাত ১ বাটি, ডিম ১টি, তেল ১ চা চামচ, আদা ১ চা চামচ, ২টা লবঙ্গ ও রসুন একসাথে পেষ্ট, লবণ পরিমাণমত, গোলমরিচ সামান্য, কাঁচামরিচ ২টি, সয়াসস ১ চা চামচ, ধনেপাতা কুঁচি সামান্য। প্রস্তুত প্রণালিঃ  প্রথমে একটা কড়াইতে তেল গরম করে এর মধ্যে ডিম ছেড়ে দিন। এরপর এতে আদা, রসুন দিয়ে মিনিট খানেক নাড়ার পর এর মাঝে ভাত, কাঁচামরিচ দিয়ে ভালভাবে এর সাথে মিশিয়ে নিন। পরে লবণ, গোলমরিচ ও সয়াসস কিছুক্ষন নেড়ে ধনেপাতা কুঁচি  দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। শীতের সকালের নাস্তায় ঝটপট হয়ে গেল মজাদার একটি নাস্তার রেসিপি। বাচ্চাদের টিফিনে দিতে চাইলে গোলমরিচ, সয়াসস, লবঙ্গ না দিলে হবে এবং শীতের সমস্ত সবজি হাল্কা সেদ্ধ করে এরসাথে মিশিয়ে দিলে খাবারটি দেখতে আরও আকর্ষনীয় হবে বাচ্চাদের কাছে।

আলু আঙ্গুরের মজাদার রেসিপি

আলু আঙ্গুরের মজাদার রেসিপি দেশীয় বাজারে চলছে নতুন আলুর সিজন। আলু তাই এখন দামেও সস্তা। নতুন আলু দিয়ে সহজেই প্রস্তুত করতে পারেন বিভিন্ন রেসিপি। আজ রইল আলুর সহজ এবং মজাদার একটি রেসিপি। আলু আঙ্গুরের মজাদার রেসিপি উপকরণঃ  ছোট সাইজের আলু ১/২ কেজি (সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নেওয়া), সবুজ আঙুর- ২ কাপ, লেবুর রস, লবন, আমচুর পাউডার-২ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়ো, সর্ষে দানা ২ চা-চামচ, গোটা জিরে ২ চা-চামচ, তেল পরিমানমতো, নারকেল কোরা ১ কাপ, ধনেপাতা কুচি ১ কাপ, কাঁচামরিচ ৪-৫টা, আদা ১ ইঞ্চি। প্রণালীঃ  প্রথমে আদা, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, নারকেল, ১৮-২০টা আঙুর ভাল করে পিষে নিন। কড়াইতে তেল গরম করুন। তাতে জিরে ও সর্ষে ফোড়ন দিন। এবারে আলু, হলুদ গুঁড়ো, আমচুর, লবন দিয়ে ভাল করে কষান। মশলা ছাড়লে লেবুর রস দিয়ে ভাল করে নাড়াচাড়া করে অল্প পানি মিশিয়ে বাকি গোটা আঙুর ছাড়ুন। নামানোর আগে ধনেপাতা  কুঁচি ছড়িয়ে দিয়ে নামিয়ে গরম ভাত কিংবা রুটি/ পরোটার সাথে পরিবেশন করুন।

রূপচর্চায় লেবু

রূপচর্চায় লেবু দৈনন্দিন খাবারে লেবু স্বাদবর্ধক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও আরো কিছু গুণাগুণ আছে যা অনায়াসে রূপচর্চার সহায়ক হতে পারে। রূপচর্চায় লেবু * লেবুতে আছে সাইট্রিক এসিড যা ত্বকে জমে থাকা অতিরিক্ত তেল, ময়লা মরা কোষ এমনকি অবাঞ্ছিত দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল, কোমল করে তোলে। * লেবু যে শুধু ত্বকের ঔজ্জ্বল্যতা ফিরিয়ে দেবে তা নয় বরং ত্বকের নির্দিষ্ট সমস্যা খুঁজে নিয়ে তার সমাধান এবং ক্ষেত্রে বিশেষে ( Skin Disease) চর্ম রোগ দূর করতেও সহায়তা করে থাকে। * ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই লেবু ত্বকের ঔজ্জ্বল্যতা বাড়ানো ছাড়াও চেহারার বয়সের ছাপ কমাতেও সাহায্য করে। * লেবুর রস যখন চুলে ব্যবহার করা হয় এর সাইট্রিক এসিড মাথার মরা কোষ দূর করে চুলের তৈলাক্ত ভাব দূর করে এবং খুশকি রোধেও সহায়তা করে।

টি ট্রি অয়েলের ব্যবহার

টি ট্রি অয়েলের ব্যবহার মূলত আস্ট্রেলিয়ান টি ট্রি (মেলালেংকা অল্টারনিফোলিয়া) পাতা থেকে নিঃসৃত এক বিশেষ তেল হচ্ছে টি ট্রি অয়েল। পাশ্চাত্য সমাজে কাঁটাছেড়া থেকে শুরু করে ত্বকের যেকোন সমস্যা সমাধানে এ তেল অনেকখনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। টি ট্রি অয়েলের ব্যবহার  >> টি ট্রি অয়েল স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ঘরে তৈরি ফেসিয়াল স্ক্রাবার ত্বকের জন্য অনেক উপকারি।  ১/২ কাপ চিনি, ১ টেবিল চামচ মধু, ১/৪ কাপ তিলের তেল বা সম পরিমাণ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, ১০ ফোঁটা টি ট্র্রি অয়েল। এই ৪ টি উপকরণ খুব ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ২/৩ মিনিট ভাল করে ম্যাসাজ করুন। কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। >>  টি ট্রি অয়েল এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানের কারণে বেশ কয়েকটি টুথপেস্ট ও মাউথওয়াশে এটি ব্যবহার করা হয়। >>  পায়ের নখে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সমস্যা যেমন- রঙের ভিন্নতা, মোটা হয়ে যাওয়া কিংবা নখ ভেঙ্গে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় টি ট্রি অয়েলের ব্যবহার অন্যতম। >>  টি ট্রি অয়েলের আরেকটি দারুণ ব্যবহার হলো এটি ঘর পরিষ্কার...

কফি পানের উপকারিতা

কফি পানের উপকারিতা শীতের সময়টাতে গরম গরম কফির কাপে এক চুমুক, অনুভূতিই যেন বদলে দেয়। শীত মানে কফি ছাড়া আমরা আর কিছুই ভাবতে পারি না। কনকনে ঠাণ্ডায় সকাল-সন্ধ্যে কফির গরম মগে নিজের হাত সেঁকে নেওয়া। শীতকালে শরীর গরম রাখতে কফির জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু জানেন কি এক কাপ গরম কফি আপনাকে দিতে পারে অনেকগুলো রোগের হাত থেকে নিস্তার। কফি পানের উপকারিতা * যারা কাজের স্ট্রেসের কারণে রাতে ভাল করে ঘুমোতে পারেন না তারা শোয়ার আগে কিছুক্ষণ অন্তত কফির গন্ধ শুঁকুন। কফির অ্যারোমা কিন্তু নিমেষে আপনার স্ট্রেস কমিয়ে দেবে। * বিভিন্ন হার্ট ডিজিজ আর ডায়াবেটিস অনেকটা কমে যায় যদি নিয়মিত অল্প পরিমাণে কফি পান করেন। তবে মাথায় রাখবে কফিটি হতে হবে চিনি ছাড়া। * নিয়মিত কফি পান স্কিন ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে দেহের অন্য অংশেও ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায় । * দিনে কয়েক কাপ কপি খেলে পার্কিনসন্স ডিজিজ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়। * বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই রোগটি দেখা দেয়। একটি সমীক্ষা বলছে এইসময় যদি কফি খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেন তা হলে অ্যালঝাইমারস হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। * কোলোন সার্জারি ...

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার

কর্নফ্লাওয়ার (বার্লি)'র অজানা ব্যবহার রান্না ছাড়াও কর্নফ্লাওয়ারের রয়েছে আরো অনেক গুণগত ব্যবহার। যেমনঃ কর্নফ্লাওয়ার (বার্লির) অজানা ব্যবহার * কোন কাপড়ে তেলে লেগে গেলে কিছুটা কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, দেখবেন কত সহজে দাগ উঠে গেছে। *  জানালার কাঁচ পরিষ্কার করার সময় গ্লাস ক্লিনারের পরিবর্তে আট কাপ পানিতে সিকি কাপ কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে ব্যবহার করে দেখুন গ্লাস একেবারে চকচকে হয়ে যাবে। * চেইন বা ব্রেসলেটে গিঁট লেগে গেলে গিট ছাড়াবার জন্য এলোমেলো টানাটানি না করে তার পরিবর্তে গিঁটের উপর কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে গিঁট খোলার চেষ্টা করুন দ্রুত খুলে আসবে। * পোকার কামড়ে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং জুতার দুর্গন্ধ দূর করতেও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যায়। * চুল তেলতেলে হয়ে থাকলে নির্দিধায় চুলের ওপর খানিকটা কর্নফ্লাওয়ার ছিটিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিলেই দেখবেন চুল হয়ে উঠেছে একেবারে ঝরঝরে। 

ত্বকের যত্নে দুইটি ফেসিয়াল মাস্ক

ত্বকের যত্নে দুইটি ফেসিয়াল মাস্ক ত্বকের যত্নে দুইটি ফেসিয়াল মাস্ক ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখার মাস্ক বয়সের কারণে ত্বকের কোমলভাব হারায়। কারণ সময়ের সঙ্গে কোলাজেন বা কোষের গঠন ধরে রাখার প্রধান উপাদানের পরিমাণ কমতে থাকে। ফলে ত্বকে পড়ে বয়সের ছাপ। তবে সঠিক যত্নে এই প্রক্রিয়ার গতি কমিয়ে আনা যায়। টক দই ২ টেবিল-চামচ, ১ টেবিল-চামচ কোকোয়া-গুঁড়া, ১ চা-চামচ দুধ, ১/২ কলা চটকে নেওয়া এবং ১ চা-চামচ মধু নিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এবার মিশ্রণটি মুখে ও গলায় লাগিয়ে আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। লোমকূপ পরিষ্কার রাখার মাস্ক ব্যস্ত জীবনে নিয়ম করে লোমকূপ পরিষ্কারের সময় হয় না। অথচ ময়লা, ঘাম ও ধুলাবালির কারণে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে গেলে মুখ দেখতে লাগবে প্রাণহীন। লোমকূপ সহজেই পরিষ্কারের মাস্ক তৈরি করতে লাগবে  ১ টেবিল-চামচ চালের গুড়া, ১ টেবিল-চামচ লেবুর রস, পরিমাণ মতো মধু ও ১ চা-চামচ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করুন। পুরো মুখে লাগিয়ে পাঁচ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্ক ত্বকের লোমকূপের ভেতর থেকে পরিষ্কার করবে।  ছবিঃ সংগৃহীত

নিজেই তৈরি করুন মেকাপ রিমুভার

নিজেই তৈরি করুন মেকাপ রিমুভার অনেকেই বলেন  না বাবা, মেকাপ করা যাবে না। মেকাপ করলেই আমার ব্রণ ওঠে। এর প্রথম কারন ভালোমতো মেকাপ পরিষ্কার না করা। মেকাপ শুধু মাত্র ফেশওয়াস দিয়ে মুখ ধুলেই উঠে যায় না। এর জন্য প্রয়োজন মেকাপ রিমুভাব। আপনি চাইলে নিজেই বাসায় বানিয়ে নিতে পারেন মেকাপ রিমুভার। এই হোমমেইড মেকাপ রিমুভার বাজারের বিভিন্ন ব্রান্ডের মেকাপ রিমুভারের থেকে কম যায় না। নিজেই তৈরি করুন মেকাপ রিমুভার আপনার পছন্দের যে কোনো ময়েশ্চারাইজিং লোশন নিয়ে একটি খালি কৌটোর অর্ধেকটা ময়েশ্চারাইজিং লোশন দিয়ে ভরে ফেলুন। এর বাকি খালি অংশ গোলাপজল দিয়ে ভরে ফেলুন। এর মধ্যে ২ টা ভিটামিন ই ক্যাপসুল কেটে নিয়ে এর অয়েলটা যোগ করুন। হাতের কাছে ভিটামিন ই ক্যাপসুল না থাকলে ১ চা চামচ কোকোনাট অয়েলও ব্যবহার করতে পারবেন। সবগুলো উপকরণ খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার ত্বকে এই মেকাপ রিমুভার লাগিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। ৩০ সেকেন্ড রেখে দিন।  এরপর কটন প্যাড /মেকাপ ওয়াইপ্স দিয়ে পুরো মেকাপ মুছে নিন। ব্যস, আপনার মেকাপ রিমুভ হয়ে যাবে সহজেই। এরপর ফেইসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ফেলুন।

স্তন বড় করার স্বাভাবিক উপায়

স্তন বড় করার স্বাভাবিক উপায় শারীরিক গড়ন কিংবা স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারনে অনেক মেয়েদের স্তন ছোট হয়ে থাকে। আর স্তন স্বাভাবিকের তুলনায় ছোট হওয়ার জন্য অনেকেই দুশ্চিন্তায় ভুগতে থেকে, নিজের কনফিডেন্স কমে যায়। যারা এই সমস্যায় ভুগছেন তাদের বলব, চিন্তার কারণ নেই কারণ বাড়িতে বসেই প্রাকৃতিক ভাবে স্তন বড় করার অনেক উপায় আছে। স্তন বড় করার স্বাভাবিক উপায় নিয়মিত স্তন ম্যাসাজঃ  স্তন বড় করার জন্য রোজ স্তন ম্যাসাজ করুন। সরষের তেল গরম করে বা মধু দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। এছাড়াও দুহাত ঘষে গরম করে নিন। গরম হাত দুটো স্তনের নীচে ধরুন। এবার দুহাত দু দিক থেকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। অর্থাৎ ডানহাত ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরান। আর বাঁ হাত কাঁটার উল্টোদিকে। এভাবে রোজ ১০ থেকে ২০ মিনিট রোজ ম্যাসাজ করুন। সঠিক ব্রা পরিধানঃ   স্তন বড় করার ক্ষেত্রে ব্রা এর একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সঠিক ব্রা এর অভাবে স্তনের আকার নষ্ট হয়ে যায়। তাই ঠিক সাইজের কাপ ব্রা ব্যবহার করুন। ব্রা খুব বেশি যেন ঢিলে না হয়। আবার খুব বেশি টাইটও যেন না হয় খেয়াল রাখবেন। রাত্রে ব্রা পরে ঘুমবেন না। এছাড়াও একটু টাইট পোশাক পরু...

টিপস এন্ড ট্রিকস

টিপস এন্ড ট্রিকস * কাঁচামরিচ বেশিদিন সংগ্রহ করে রাখতে এর বোঁটা ছাড়িয়ে রাখুন। এতে কাঁচামরিচের বোঁটায় পচন ধরবেনা, সতেজ থাকবে বেশ কিছুদিন। * মাংস তাড়াতাড়ি সেদ্ধ করতে চাইলে এক টুকরো পেপে কেটে দিন, মাংস দ্রুত সেদ্ধ হয়ে যাবে। * ঢেড়স রান্নার সময় এর আঠালো ভাব দূর করতে এতে একটু লেবুর রস দিন। দেখবেন, আঠালো ভাব দূর হয়ে গেছে। * সপ্তাহের ২ দিন সামুদ্রিক মাছ খেলে হার্ট ভালো থাকবে। কারণ, সামুদ্রিক মাছে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা সুস্থ সবল হার্টের জন্য খুবই দরকারি। *  প্রাচীনকাল থেকে মাছ কিংবা মাংস রান্নায় ধনিয়ার ব্যবহার হয়ে আসছে। তাই রান্নায় সুগন্ধ পেতে ধনিয়া ব্যবহার করতে পারেন।

চোখের মেকআপ তোলার সহজ কৌশল

চোখের মেকআপ তোলার সহজ কৌশল অনেক সময় বাইরে থেকে ফিরে আলসেমিতে মেকাপ উঠাতে ইচ্ছে করে না, তবে মেকআপ না উঠালে বুঝতেই পারছেন ত্বকের নাজেহাল অবস্থা হবে! অনেকে বেশি সময় লাগলেও, মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করেন মুখের মেকআপ তোলার জন্য। বিশেষ করে চোখের মেকআপের ক্ষেত্রে আমাদের খুব খেয়াল রাখা উচিত, কেন না চোখ খুব স্পর্শকাতর একটি অঙ্গ। যদি চোখের মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে খামখেয়ালি করেন তবে বিপদ হতে পারে। তাই ঝটপট করে চোখের মেকআপ তোলার সহজ কৌশল জেনে নিন। চোখের মেকআপ তোলার সহজ কৌশল বেবি শ্যাম্পুঃ  বেবি শ্যাম্পুতে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। তাই নিমেষেই চোখের মেকআপ তোলার জন্য বেবি শ্যাম্পু বেশ উপকারী। তাই আইলাইনার, মাশকারা ও চোখের ভারি মেকআপ বেবি শ্যাম্পু দিয়ে সহজে তুলে ফেলুন। তুলা ছোট গোল গোল করে পানিতে হালকা ভিজিয়ে নিন। চোখের চারপাশ ভেজা তুলা দিয়ে ভিজিয়ে নিন। অল্প পরিমাণে বেবি শ্যাম্পু হাতে নিয়ে চোখের চারপাশে ঘষুন। পরে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ময়েশ্চারাইজারঃ  দ্রুত চোখের মেকআপ তোলার জন্য ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম অথবা লোশন মেখে নিন। দেখুন কয়েক সেকেন্ডে চোখের মেকআপ পরিষ্কার করে দেবে। ...

রাতের ঘুম কি দিনে পোষায়?

রাতের ঘুম কি দিনে পোষায়? রাতের ঘুম কি দিনে পোষায়? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রাত জাগাকে কার্সিনোজেনের সঙ্গে তুলনা করে থাকে। অর্থাৎ এটা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ক্যান্সার-বিষয়ক গবেষণা বিভাগ ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের তথ্য মতে, যখন সূর্যের আলো থাকে না তখন শরীরকে কাজ করতে বাধ্য করা বা জাগিয়ে রাখা শরীরে মেলাটনিন হরমোন তৈরিতে বাঁধা সৃষ্টি করে। আর এই মেলাটনিনই মানুষের দেহে টিউমারের বৃদ্ধিকে রোধ করে। ফলে তাদের ধারণা, রাত জাগা মানুষদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি। অর্থাৎ রাতের ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং এটি কোনোভাবেই দিনের বেলায় ঘুমিয়ে পুষিয়ে নেওয়া যায় না। ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সের প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, যাদের ঘুমের নির্দিষ্ট সময় থাকে না অর্থাৎ যারা আজ রাত ৯টায় ঘুমায় তো কাল রাত ৩টায়, তারা অনেক বড় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছে। অনিয়মিত ঘুমের কারণে শরীরের এক-তৃতীয়াংশ জিনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। যার ফলে অল্প বয়সেই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হূদরোগও হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডায়াবেটিসের তথ্য মোতাবেক দুই ল...

খালি পেটে যে খাবারগুলো খাওয়া স্বাস্থ্যহানীর কারন

খালি পেটে যে খাবারগুলো খাওয়া স্বাস্থ্যহানীর কারন খালি পেটে প্রথম যে খাবার খাচ্ছেন সেটি ভাল মনে করে খাচ্ছেন কিন্তু দেখা গেল যে খাবার খেয়েছেন সেটি বরং আপনার শরীরের  জন্য ক্ষতি বয়ে আনলো। এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো খালি পেটে খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে।সেগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক- মশলাদার খাবারঃ  খালি পেটে মশলাদার খাবার খেলে অ্যাসিডের প্রভাবে পাকস্থলীতে অ্যাসিডিক প্রতিক্রিয়াও হতে পারে। চা, কফিঃ সকালবেলা এক কাপ চা অথবা কফি না খেলেই নয়। কিন্তু কখনো খালি পেটে এই চা-কফি খাওয়া উচিত নয়। চা-এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসিডের উপস্থিতি ও কফিতে ক্যাফেইন থাকার ফলে খালি পেটে খেলে এই অ্যাসিড এবং ক্যাফেইন পাকস্থলীর আস্তরণের ক্ষতি করে দেয়। কলাঃ খালি পেটে কলা খেলে শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে রক্তে ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের মাত্রায় অস্বাভাবিক তারতম্য ঘটে। কোল্ডড্রিংকঃ কোল্ডড্রিংকে যে চিনি বা আর্টিফিশিয়াল সুইটনার থাকে, খালি পেটে খেলে সেগুলি শরীরের পক্ষে যথেষ্ট ক্ষতিকারক হতে পারে। টমেটোঃ খালি পেটে টমেটো খাওয়া শরীরের জন্য যথেষ্ট ক্ষতিকারক। টমেটোতে থাকা অ্যাসিড...

সুস্থ জীবনের জন্য ব্যায়াম

সুস্থ জীবনের জন্য ব্যায়াম সুস্থ জীবনের জন্য ব্যায়াম ব্যায়াম বা প্রতিদিন শারীরিক পরিশ্রম করলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন তন্ত্রের ক্রিয়াকর্ম সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়। তা ছাড়া বিভিন্ন রোগবালাই থেকে শরীরকে মুক্ত রাখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি অ্যান্ড হেলথের সার্জন জেনারেলের রিপোর্ট অনুযায়ী নিয়মিত শরীরচর্চা করলেঃ • দীর্ঘজীবী হওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয় এবং সুস্থভাবে বাঁচা যায়। • হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি অথবা এ রোগের পূর্বলক্ষণ দেখা দিলেও তা রোধ করতে সহায়তা করে। তা ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের উচ্চমাত্রা রোধ করতে সক্ষম হয়। • কোলন ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারসহ বিশেষ ধরনের ক্যান্সার বৃদ্ধি প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। • টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। • বাত প্রতিরোধে সহায়তা করে। তা ছাড়া বেদনা উপশম ও যাদের শরীরে অনমনীয় ভাব রয়েছে সেগুলো দূর করতে সাহায্য করে। • হাড়ের ওজন হ্রাসের মতো অনিষ্টকর ঘটনা বা অস্টিওপোরোসিস রোধ করতে সহায়তা করে। • বয়স্ক ব্যক্তিদের বিভিন্ন ঝুঁকি কমায়। • মানসিক অবসাদ ও উদ্বেগের লক্ষণ কমায় এবং মেজাজ ফিরিয়ে আনে। • দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখত...

পিরিয়ডের সময় যে খাবারগুলো না খাওয়াই ভালো

পিরিয়ডের সময় যে খাবারগুলো না খাওয়াই ভালো পিরিয়ডের সময় হরমনের পরিবর্তনের কারনে প্রায় অধিকাংশ নারীর তল পেটে ব্যথা, মেজাজ ঠিক না থাকাসহ বিভিন্ন শারীরিক অস্বস্তি হয়ে থাকে। কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলির জন্য এই অস্বস্তি, পেট ব্যাথা বেড়ে যায়। তাই সেই ধরনের খাবার এই সময় না খাওয়াই ভালো।  যেমনঃ পিরিয়ডের সময় যে খাবারগুলো না খাওয়াই ভালো ফ্যাট যুক্ত খাবারঃ  পিরিয়ডের সময় শরীরে কিছু হরমনের পরিবর্তন হয়। তার ফলে পিরিয়ডের সময় বক্ষের আকৃতি বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ একটু ফুলে যায়। সেই সঙ্গে শরীরের ওজনও একটু বাড়ে। আবার পিরিয়ড কমে গেলে স্বাভাবিক হয়ে যায়। যেহেতু এই সময় শারীরিক ওজন একটু বাড়ে তাই, এই সময় ফ্যাট জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।   মিষ্টিঃ  এই সময় শরীরে হরমনের কিছু পরিবর্তনের ফলে রক্তে সুগার লেবেলের পরিবর্তন হয়। আর খুব বেশী মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে রক্তের সুগার লেবেল বেড়ে যেতে পারে। সুগার লেবেল স্বাভাবিক না থাকলে শরীরে নানা রকম সমস্যা হয়। মেজাজ খারাপ, ঘন ঘন মেজাজ পরিবর্তন ইত্যাদি। এছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর প্রভাব পরে। তাই এই সময় বেশি মিষ্টি খাওয়া ঠিক নয়। প্রসেস ফুডঃ  ...

রাত জাগা যেসব ঝুঁকি বাড়ায়

রাত জাগা যেসব ঝুঁকি বাড়ায় আমাদের শরীরের ভিতরে একটি ঘড়ি আছে, যাতে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে শুতে যাওয়া পর্যন্ত সময় নথিভুক্ত রয়েছে। অর্থাৎ শরীরকে কখন কোন কাজটা করতে হবে, তা মূলত এই বায়োলজিকাল ক্লকই নির্দেশ দিয়ে থাকে। ওই নির্দেশনা মেনে না চলার কারণে প্রতিবছর বাড়ছে অকাল মৃত্যুহার। জীবনে নানা প্রয়োজনে আমাদের প্রায় সবাইকে কখনও না কখনও রাত জাগতে হয়। রাত জাগায় আপনি যদি অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন বা অসুবিধা মনে না হলেও এর বেশ কিছু নেতিবাচক দিক রয়েছে। রাত জাগা যেসব ঝুঁকি বাড়ায় মানসিক সমস্যার আশঙ্কাঃ গবেষণায় দেখা গেছে যারা প্রায়ই রাত জাগেন তাদের উদ্বিগ্নতা, অবসাদ ও বাইপোলার ডিজঅর্ডারে ভোগার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমনকি রাতে না ঘুমানোর সঙ্গে আত্মহত্মার প্রবণতারও সম্পর্ক রয়েছে। চেহারায় মলিনতাঃ এমনটা কি হয়েছে, নিয়মিত ত্বকের যত্ন নেওয়ার পরও ব্রণ বা চোখের চারপাশে কালো দাগ হচ্ছে। নিয়মিত রাত জাগা এর একটা কারণ হতে পারে। এই একই কারণে অকালে চেহারায় বয়সের ছাপ ও ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। দেহ ঘড়িতে বিশৃঙ্খলাঃ  মানবদেহ তার অভ্যন্তরীণ নানা কাজ দেহের নিজস্ব সময় অনুযায়ী চলে। যেমন, রাত ২টায় মানুষের ঘুম...

সকালের নাস্তায় রাখুন ফ্রেঞ্চ টোস্ট

সকালের নাস্তায় রাখুন ফ্রেঞ্চ টোস্ট উপকরণঃ  ৬ স্লাইস পাউরুটি, ২টি ডিম, ২/৩ কাপ দুধ, এক চিমটি দারুচিনি গুঁড়ো (ঐচ্ছিক), এক চিমটি জয়ফল গুঁড়ো (ঐচ্ছিক), লবণ পরিমাণমত। সকালের নাস্তায় রাখুন ফ্রেঞ্চ টোস্ট। ছবিঃ সংগৃহীত প্রস্তুত প্রণালীঃ ডিম, দুধ, লবণ, মশলা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। চুলোয় অল্প আঁচে কড়াই অথবা তাওয়া বসিয়ে দিন। এবার উপরের মিশ্রণে পাউরুটি ডুবিয়ে উভয় পাশে বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজতে থাকুন। তৈরি হয়ে গেলো ফ্রেঞ্চ টোস্ট! এবার গরম গরম পরিবেশন করুন।

ত্বক পরিষ্কার রাখতে ফেসিয়াল মাস্ক

ত্বক পরিষ্কার রাখতে ফেসিয়াল মাস্ক ত্বকের যত্নে বিভিন্ন ধরনের ফেইস মাস্ক ব্যবহারের জনপ্রিয়তা নেহাত কম নয়। দূষণ, রাসায়নিক উপাদান সমৃদ্ধ প্রসাধনী ব্যবহার, হরমোনে সামঞ্জস্যের অভাব ইত্যাদি কারণে ত্বকে ময়লা ও দূষিত উপাদান জমতে থাকে। যেগুলো সাধারণ ফেইসওয়াসের সাহায্যে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। এমন সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করতে হবে মাস্ক। ত্বক পরিষ্কার রাখতে ফেসিয়াল মাস্ক ত্বক পরিষ্কার রাখতে মাস্ক তৈরিতে প্রয়োজন ৫টি আঙুরের রস এবং ১ টেবিল-চামচ আটা। এর সঙ্গে সোয়া চা-চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। ছবিঃ সংগৃহীত

যে খাবারগুলো ত্বকের জন্য ক্ষতিকর

যে খাবারগুলো ত্বকের জন্য ক্ষতিকর দৈনন্দিন জীবনে অভ্যাসের বশে আমরা না বুঝেই এমন অনেক কিছুই খাই যা হতে পারে আমাদের ত্বকের ক্ষতির কারন।  এমন অভ্যাসগুলোই ধীরে ধীরে আমাদের ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করছে। যত্ন নেওয়ার পরও ত্বক হয়ে পড়ছে রুক্ষ ও মলিন। যে খাবারগুলো ত্বকের জন্য ক্ষতিকর >>  বেশি লবণ খেলে মুখ ফোলা দেখাতে পারে। চোখের চারপাশের চামড়া খুবই পাতলা ও নরম হয়যা >>  দুগ্ধজাত খাবার খাবার থেকে অনেক উপকার পাওয়া গেলেও দুগ্ধজাত খাবার বেশি খেলে চোখের কোল ভারী হয়ে যায়, ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দেখা দেয়। >>  অতিরিক্ত চিনিযুক্ত বা মিষ্টি খাবার শুধু যে শরীরের মেদ বাড়ায় তাই নয়, ত্বক শুষ্ক করে দেয়। ফলে চোখের কোল, কপালে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। >>  অতিরিক্ত অ্যালকোহলের নেশায় ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। চোখের কোলে ফোলা ভাব আসতে পারে। >>  গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে ত্বকের ধরন বদলে যেতে পারে। কপাল, গালে লাল লাল অ্যাকেন দেখা দিতে পারে। যেটা গ্লুটেন অ্যালার্জির লক্ষণ।

হলদি দুধের গুণাগুণ

হলদি দুধের গুণাগুণ হলুদ আমাদের দেশসহ পুরো ভারতবর্ষেই একটি পরিচিত মশলা। আর আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে ঔষধ হিসেবে হাজার হাজার বছর ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। হলুদে বেশ কিছু স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপাদান থাকে যেমন প্রোটিন, খাদ্যআঁশ, নায়াসিন, ভিটামিন সি, ই, কে, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম এবং জিংক। হলুদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রদাহ বিরোধী, ভাইরাস বিরোধী, ব্যাকটেরিয়া বিরোধী, ফাঙ্গাল বিরোধী, ক্যান্সার প্রতিরোধক গুনাগুন থাকার কারনে এর রয়েছে অনেক ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা। হলদি দুধের গুণাগুণ  অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামাটরি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টিসেপ্টিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ক্যান্সার প্রতিরোধ করে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে হজমশক্তি বাড়ায় লিভারের দূষিত উপাদান দূর করে মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় নিউরোলজিকাল ডিজঅর্ডারে কাজ করে শরীরের ট্রাইগ্লিসারাইড কমায়  অনিদ্রা দূর করতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে ত্বক উজ্জ্বল ও সমস্যা মুক্ত রাখতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে ...